স্টাফ রিপোর্টার, বালুরঘাট: বুথের পুরো দখলদারি তাঁর৷ সেখানে কারও ঢোকার অধিকার নেই৷ এমনকি পুলিশ-প্রশাসনেরও নয়৷ মঙ্গলবার ভোট গ্রহণ চলাকালীনই এই দাবি করলেন কুমারগঞ্জের তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক মাহমুদা বেগম৷

এদিন কুমারগঞ্জের শ্যামনগর বুথে ভোটারদের মধ্যে টাকা বিলির অভিযোগ পেয়ে পুলিশ সেখানে যায়৷ বুথের সামনে যেতেই কড়া ধমক শুনতে হয় তাঁদের৷ ওই এলাকার তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক মামমুদা বেগম পুলিশকে চড়া স্বরে বলেন, “এটা আমার বুথ৷ এই বুথ আমি তৈরি করেছি৷ এখানে কেন এসেছেন?”

তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়কের মুখে ‘আমার বুথ’ -কথাটা শুনে সমালোচনায় সোচ্চার হয় বিরোধীরা৷ তাদের প্রশ্ন, যেখানে ভোটগ্রহণ হবে সেই বুথ কি কারোর সম্পত্তি? এব্যাপারে মাহমুদা বেগমের প্রতিক্রিয়া, “বিষয়টি নিয়ে খামোখা জল ঘোলা করা হচ্ছে৷ আমি ‘আমার বুথ’ বলতে বোঝাতে চেয়েছি আমি নিজে এই বুথের ভোটার৷ এখানে শান্তিপূর্ণ ভোট হচ্ছে৷ অহেতুক তৃণমূলের নামে মিথ্যে অভিযোগ রটানো হচ্ছে৷ এখানে বিজেপি টাকা দিয়ে ভোট করাচ্ছে৷ অথচ তারা পুলিশের কাছে তৃণমূলের নামে মিথ্যে অভিযোগ করছে৷ অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি৷”

উল্লেখ্য, কয়েকদিন আগে মাহমুদা বেগমের গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে বিজেপির বিরুদ্ধে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.