ফাইল ছবি

স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: নারদ কাণ্ডের প্রথম গ্রেফতারি নিয়ে মুখ খুললেন বিজেপি নেতা সায়ন্তন বসু৷ তাঁর কটাক্ষ বহিষ্কৃত আইপিএস এসএমএইচ মির্জার গ্রেফতারি শুধু বোধন৷ বিসর্জন পর্যন্ত এই তালিকায় আরও নাম থাকবে৷

কলকাতা ২৪x৭কে দেওয়া সাক্ষাতকারে সায়ন্তন বসু বলেন একজন আইপিএস ধরা পড়লেন, আরেক জন পালিয়ে বেড়াচ্ছে৷ দুর্গাপুজোর পরে এরকম আরও ঘটনা ঘটবে৷ তাঁর দাবি কেউ যদি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে টাকা নেন, তাহলে দোষটা কার? যিনি টাকা নিচ্ছেন তাঁর নাকি যার নামে নেওয়া হচ্ছে তাঁর৷

মুকুল রায়ও নারদ কাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত বলে অভিযোগ উঠেছিল, তাহলে তাঁর ভবিষ্যত কী? সায়ন্তন বসুকে এই প্রশ্ন করা হলে এই বিজেপি নেতা বলেন অনেকের নামেই অনেক কিছু অভিযোগ থাকে৷ সবই প্রমাণসাপেক্ষ৷ তদন্ত নিজের মত চলবে৷

এদিন ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সিবিআই হেফাজতে নেওয়া হয় এসএমএইচ মির্জাকে৷ তার আগে, তাঁর শারীরিক পরীক্ষা করা হয়৷ মির্জার বিরুদ্ধে একাধিক তথ্যপ্রমাণ রয়েছে বলে জানায় সিবিআই৷ নারদ কাণ্ডে তাঁর ফুটেজ খতিয়ে দেখা হয়৷ তার কণ্ঠস্বরের নমুনাও সংগ্রহ করেন সিবিআইয়ের আধিকারিকরা৷ তারপরেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়৷

তাকে হেফাজতে নিয়ে সিবিআই জানতে চাইবে কেন তিনি টাকা নিয়েছিলেন, কেন এই টাকার লেনদেন হয়৷ আর কারা রয়েছে এই আর্থিক লেনদেনের পিছনে৷ ধৃত এই আইপিএস অফিসারকে পেশ করা হবে ব্যাঙ্কশাল আদালতে৷

সিবিআই সূত্রে খবর এখনও পর্যন্ত এসএমএইচ মির্জাকে যা যা প্রশ্ন করা হয়েছে, তাতে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেছেন মির্জা৷ তাঁর দেওয়া তথ্যে যথেষ্ট অসঙ্গতি ছিল বলে জানিয়েছে সিবিআই৷ হেফাজতে নিয়ে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদে আরও গতি আনতে পারে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা৷