পানাজি: ফতোরদায় ইতিহাস গড়ল গৌররা। দেশের প্রথম দল হিসেবে এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগে আবির্ভাবেই ঐতিহাসিক পয়েন্ট অর্জন করে নিল এফসি গোয়া। শক্তিশালী কাতারের আল রায়ান এফসি’কে ঘরের মাঠে রুখে দিয়ে এক পয়েন্ট সংগ্রহ করে নিল অরেঞ্জ ব্রিগেড। বুধবার গোলশূন্যভাবেই শেষ হল ম্যাচ। লরাঁ ব্লাঁ প্রশিক্ষণাধীন দলের বিরুদ্ধে চোখে চোখ রেখে লড়াই করল জুয়ান ফেরান্দোর দল।

বিশ্বকাপ আয়োজন করতে চলা কাতারের প্রথম সারির দলকে রুখে দিয়ে ফেরান্দো জানাচ্ছেন, এফসি গোয়ার এই ফলাফলে ভারতীয় ফুটবল সম্পর্কে একটা ধারণা জন্মাবে বিদেশের ফুটবল অনুরাগীদের মনে। সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনকে দেওয়া একটি বিবৃতিতে স্প্যানিশ কোচ বলেন, ‘এটা ভারতীয় ফুটবলের জন্য খুব দুর্দান্ত একটা মুহূর্ত। কারণ ভারতীয় ফুটবল সম্পর্কে ফুটবল অনুরাগীদের আরও বেশিও করে অবগত করবে এই ফলাফল। আজ থেকে পাঁচ-ছয় বছর আগে ভারতীয় ফুটবল সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে কেউ বিশেষ কিছু জানত না। কিন্তু বর্তমান সময়ে ক্লাবগুলো তাদের অ্যাকাডেমি নিয়ে ভাবনাচিন্তা করছে, দলের ফুটবলাররাও এএফসি চ্যাম্পিয়নে লিগের মতো একটা বিরাট টুর্নামেন্ট সম্পর্কে সচেতন তখন এমন একটা ফলাফল খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’

ফতোরদার নেহরু স্টেডিয়ামে শনিবার এফসি গোয়ার রক্ষণ ছিল সত্যিই প্রশংসার যোগ্য। জেমস দোনাচি এবং ইভান গঞ্জালেসকে দুই সেন্ট্রাল ডিফেন্ডার হিসেবে ব্যবহার করেন ফেরান্দো। এফসি গোয়ার জার্সিতে একাদশে প্রথমবার শুরু করেন স্ট্রাইকার ইশান পান্ডিতা। আইএসএলের মাঝপথে চোটের কারণে ছিটকে যাওয়ার পর একাদশে শুরু করেন মিডফিল্ডার ব্র্যান্ডন ফার্নান্দেজও। আল রায়ানের মতো শক্তিশালী ক্লাবের বিরুদ্ধে পয়েন্ট ছিনিয়ে নেওয়ার মোটিভেশন হিসেবে কোচ তাঁর ফুটবলারদের কী পেপটক দিয়েছিলেন?

উত্তরে তরুণ কোচ ফেরান্দো জানিয়েছেন, ‘অনুশীলনে ছেলেদের কেবল এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগের গুরুত্ব বুঝিয়েছি। ছেলেদের বলেছি আবেগ সামলে রেখে কঠিন ম্যাচে মনোনিবেশ করতে। নিজের প্রতি বিশ্বাস রাখাটা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।’ ফেরান্দো আরও বলেন, ‘আমরা লরাঁ ব্লাঁ’র দলের বিরুদ্ধে পয়েন্ট অর্জন করেছি। যিনি ১৯৯৮ বিশ্বকাপ জিতেছিলেন। আমরা ভীষণই খুশি এই পয়েন্টে। কিন্তু কোচ হিসেবে চাইব দলকে ট্যাকটিক্যালি আরও উন্নত করতে। আমাদের হাতে এখনও ৫টি ম্যাচ রয়েছে। আগামী ১৭ এপ্রিল আমিরশাহীর আল ওয়াহদা এফসি’র মুখোমুখি হবে গোয়া।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.