রাজ্য সরকারি কর্মী
রাজ্য সরকারি কর্মী (ফাইল ছবি)

রাঁচি: আপনি কি ধূমপান করেন? তাহলে চাকরি নিয়ে টানাটানি হতে পারে। ঝাড়খন্ডের হেমন্ত সোরেন সরকার পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছে চাকরি করতে গেলে ধূমপায়ীদের বদভ্যাসটি ছাড়তে হবে। তবেই টিঁকে থাকবে চাকরি।

এখানেই শেষ নয়। যে সব কর্মীরা ধূমপান করেন, তাঁদের এফিডেভিট দাখিল করে জানাতে হবে যে তাঁরা ধূমপান ছেড়ে দিচ্ছেন। শুধু ধূমপানই নয়। কোনও ধরণের তামাকজাত দ্রব্যই তাঁরা সেবন করতে পারবেন না বলে জানানো হয়েছে।

হেমন্ত সোরেন সরকার জানিয়েছে প্রতিটি অফিস তামাক বর্জিত এলাকার তালিকায় পড়ছে। তাই কোনওভাবেই অফিসের মধ্যে বা অফিস চত্ত্বরে ধূমপান করা যাবে না বা অন্য কোনও তামাকজাত দ্রব্য সেবন করা যাবে না। রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের হলফনামা দাখিল করতে বলা হয়েছে এই বিষয়ে।

ঝাড়খন্ড সরকারের নির্দেশ যে সব চাকরিপ্রার্থীরা সরকারি চাকরির পরীক্ষায় বসছেন, বা সরকারি চাকরি সদ্য পেয়েছেন, এই নিয়ম তাঁদের জন্যও বলবৎ হবে। ২০২১ সালের পয়লা এপ্রিল থেকে এই নিয়ম জারি করা হবে। রাজ্যের স্বাস্ত্য, শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ দফতরের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে জারি করা হয়েছে নোটিফিকেশন।

নোটিফিকেশনে জানানো হয়েছে তামাকজাত দ্রব্যের মধ্যে সিগারেট, বিড়ি, খৈনি, গুটখা, পান মশলা, জর্দা বা সুপুরি, হুঁকো, ই সিগারেট পড়ছে। ধোঁয়াহীন বা ধোঁয়াযুক্ত কোনও ধরণের তামাকজাত দ্রব্য সেবন করা যাবে না বলে কড়া নির্দেশিকা জারি করেছে রাজ্য সরকার।

সংবাদসংস্থা পিটিআই জানিয়েছে সম্প্রতি রাজ্য মন্ত্রিসভায় এক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে স্টেট টোবাকো কন্ট্রোল কোঅর্ডিনেশন কমিটির বৈঠকের পর রাজ্যের মুখ্য সচিব সুখদেব সিং প্রশাসনিক আধিকারিকদের জানান, সেক্রেটারিয়েট, পুলিশের সদর দফতর, জেলা ও ব্লকগুলির সবকটি সরকারি অফিসকে তামাকজাত দ্রব্যহীন এলাকা ঘোষণা করতে হবে। সেই নির্দেশ মত কাজ শুরু করে প্রশাসন। প্রতিটি সরকারি অফিসে টোবাকো ফ্রি জোনের বোর্ড লাগিয়ে দেওয়া হয়।

এবার দেশের অন্যান্য রাজ্যগুলি কি ধরণের পদক্ষেপ নেয় সেটাই দেখার। কারণ চলতি বছরেই মোদী সরকার জানিয়েছিল ই সিগারেট নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আরও জানানো হয়েছিল তামাক সেবনের আইনত বয়স নিয়ে নতুন নির্দেশিকা জারি করা হবে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক তামাক সেবনের বয়স ১৮ বছর থেকে বাড়িয়ে ২১ বছর করার ভাবনা চিন্তা করছিল। এই নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকে একটি রিপোর্টও জমা দেয় লিগাল সাব গ্রুপ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।