সিয়াটল: জন্ম, মৃত্যু, বিয়ে এই তিনটে জিনিস বিধাতার সৃষ্টি যা খণ্ডন করার ক্ষমতা কারুর নেই এটাই আমরা জানি। কিন্তু একটি জিনিস আছে পৃথিবীর বুকে যার এই ক্ষমতা আছে। তবে সেটিও একটি জড়ো বস্তু। একটি গর্ত নাকি মরটি প্রাণীদের জাগিয়ে তুলতে পারে। সাধারণত গর্তে কিছু ফেললে সেটা হারিয়ে যায়। কিন্তু ফেললে সেটা আবার জীবিত হয়ে ওঠে। লোক এই ভুতুড়ে গর্তের কথা জানতে পেরে যেমন অবাক তেমন ভীত। তাদের বিশ্বাস রয়েছে কোনো অলৌকিক শক্তি। এমন অদ্ভুত ক্ষমতাশালী গর্তটি রয়েছে ওয়াশিংটনের এলনসবার্গে।

গর্তটি একটি ব্যক্তির জমির এলাকার অন্তর্গত একটি গর্ত ছিল। তিনি যতদিন সেখানে ছিলেন তিনি দেখেছেন যে এই গর্তে নোংরা থেকে শুরু করে বড়ো বড়ো সামগ্রীও ফেলা হতো। অর্থাৎ গর্তের গভীরতা ও শেষ কোথায় কেউই জানে না। আবার ফাঁকা এই গর্তের উপর দাঁড়িয়ে আওয়াজ করলে তার প্রতিধ্বনিও হতো না। স্বাভাবিকভাবেই মানুষ একে অদ্ভুত ভাবতো। সেই লোকটি নিজেই জানিয়েছেন যে এর গভীরতা মাপতে তিনি একটি সুতোকে ২৪ কিলোমিটার অবধি প্রবেশ করিয়েছিলেন। এমনকি তার মাঝেই শোনা যায় যে তার পোষ্য কুকুর নাকি এই গর্তের ধারেকাছে ঘেঁষতে চাইতো না। যেহেতু কুকুর অলৌকিকতা অনুভব করতে পারে তাই তারা ভাবতে থাকেন যে এতে কোনো অশরীরর জাদু আছে।

আরো পোস্ট- মরুভূমির মধ্যে বাজে কার সুর! ভুতুড়ে নাকি আছে কারণ…

তিনি আরো কৌতূহলী হয়ে সেই গর্ত সম্পর্কে আরো জানতে চেষ্টা করেন। সেইসময়ে তার সঙ্গে পরিচয় হয় এক ব্যক্তির। সেই ব্যক্তি জানান যে একসময়ে তার এক কুকুর মারা গেলে এখানে তিনি তার দেহ ফেলে দিয়েছিলেন। তবে তার কিছুদিন বাদে অদ্ভুতভাবে সেই কুকুরটিকে তিনি রাতের দিকে ঘুরতে দেখেছিলেন। সেই কুকুরের গলায় ছিল এমন এক বেল্ট যা তিনি তার নিজের সেই পোষ্যকে পরিয়ে দিয়েছিলেন। তবে সেই গর্ত যে তিনি একটাই খুঁজে পেয়েছিলেন এমনটা নয়। বহুদিন পর তিনি পাশের গ্রামে গিয়েও এমন একটি গর্ত আবিষ্কার করেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।