কন্সট্যান্টিনোপল: ভারতের ইতিহাসে দেব-দেবীর অভাব নেই। নানা দেবতার নানা রহস্যময় কাহিনী রয়েছে লুকিয়ে যার সমাধান আজও বের করা যায়নি। তবে এমনটা শুধুই ভারত নয়, অন্যান্য দেশের কাহিনীতেও রয়েছে। তবে সেই সব কাহিনীগুলি মনগড়া বা সত্যি কীনা তা চিরকালের বিতর্ক। এরকমভাবেই প্রাচীন রোমের ইতিহাসে দেবতাদের কাহিনী বিস্তর। আর তার মধ্যে অন্যতম হলো জানুস বা ইয়ানুসের সঙ্গে দেবী কার্ডিয়ার প্রেমের উপাখ্যান।

তিনি যেমন সুন্দরী তেমন ছলনাময়ী নাকি। রূপের জালে ফাঁসাতেন যুবকদের। এরপর আটকে রাখতেন তাদের। সুন্দরীর পিছনে হাঁটতে হাঁটতে প্রেমে অন্ধ যুবকেরা ঢুকে পড়তেন কোনো এক অন্ধকার গুহায়। কোনো এক অজানা ছলনায় তাদের গুহার মধ্যে বন্দী করে দিতেন দেবী কার্ডিয়া।

দেবতা জানুসের সঙ্গেও এমনটা করার চেষ্টা করেছিলেন তিনি। কিন্তু জানুস ফাঁদে পা দিতে পারেননি তার মাথার দুদিকেই থাকা দুইজোড়া করে চোখের কারণে। জানুস সব দেখে নিয়েছিলেন। কার্ডিয়া শব্দের অর্থ “কব্জা বা ছিটকিনি”। তিনি নাকি এই ছিটকিনি দিয়ে মন্দ আত্মাকে ভেতরে ঢুকতে দেন না।

আরো পোস্ট- নুড়ি কুড়িয়ে তৈরি হয়েছে প্রাসাদ!

এভাবে সব রোমান পরিবারকে রক্ষা করতেন তিনি। তাকে মনে করা হতো বনদেবী ছিলেন তিনি। এই জানুসের সঙ্গে আমাদের দেবতা গণেশের মিল রয়েছে। রোমান ও ভারতীয় পুজোর বিধি অনুযায়ী যে কোনো পুজো করার আগে জানুস ও গণেশের পুজো করতেই হয় আমাদের। জানুসের হাতের চাবিটি আবার বাণিজ্যযোগের প্রতিমূর্তি। অন্যদিকে, গণেশকেও ব্যবসায়ীরা মাথায় তুলে রাখেন।

দেবতা জানুসের দুই মুখ দুদিকের দরজার দিকে ফেরানো ছিল। এই মন্দিরের একটা মজা ছিল। প্রাচীন রোমে যুদ্ধবিগ্রহ প্রায় রোজই হতো। ছোটো ছোটো রাজ্যগুলোর মধ্যে মারামারি ছিল সাধারণ ঘটনা। শান্তি জিনিসটাই ছিল প্রায় অস্বাভাবিক। যুদ্ধ চলাকালীন জেনুসের মন্দিরের ওই দরজাদুটো খুলে দেয়া হত। আর যুদ্ধ বন্ধ হলে বন্ধ করে দেওয়া হত দরজাও। সেখানকার অনেক মুদ্রাতেই জানুসের ওই মন্দিরের বন্ধ দরজার প্রতিচ্ছবি দেখতে পাবেন আপনারা। দেশে শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে রাজারা এই বিশেষ মুদ্রা চালু করেছিলেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।