কলকাতা: করোনার ব্যাঙ্ক খুলছে মাত্র চার ঘণ্টা। আর এর মধ্যেই আরও ব্যবসা বাড়ালো বন্ধন ব্যাঙ্ক। আমানত ও অগ্রীম দুটোই অনেকটা বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানা গিয়েছে ব্যাঙ্ক সূত্রে।

বন্ধন ব্যাঙ্ক ৩১ মার্চ ২০২১ তারিখে শেষ হওয়া ত্রৈমাসিক এবং আর্থিক বর্ষের ফলাফল প্রকাশ করেছে। তারা জানিয়েছে, ২০২০-২১ আর্থিক বর্ষের শেষে ব্যাঙ্কের মোট ব্যবসা (আমানত এবং অগ্রিম) ২৮% বৃদ্ধি পেয়ে ১.৬৫ লক্ষ কোটি টাকা হয়েছে। চালু হওয়ার পর ষষ্ঠ বছরে পা দিয়েছে এই ব্যাঙ্ক। বর্তমানে এর রয়েছে ১১৪৯টি শাখা এবং ৫৩৬১টি আউটলেট, যার মাধ্যমে ২.৩৭ কোটি গ্রাহককে তারা পরিষেবা দিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন। এই সংখ্যা এপ্রিল ৩০, ২০২১ তারিখের হিসাব অনুযায়ী। মার্চ ৩১, ২০২১ তারিখে বন্ধন ব্যাঙ্কের মোট কর্মী সংখ্যা ৪৯হাজার ৪৪৫জন।

কর্তৃপক্ষ জানাচ্ছে, গত এক বছরে অর্থনীতি ক্রমশ ঘুরে দাঁড়ানোর ফলে ব্যাঙ্কের আমানত আগের বছরের এই কোয়ার্টারের তুলনায় ৩৭% বৃদ্ধি পেয়েছে। মোট আমানত এখন ৭৭,৯৭২ কোটি টাকা। গত অর্থবর্ষের তুলনায় কাসা (কারেন্ট অ্যাকাউন্ট সেভিংস অ্যাকাউন্ট) আমানত ৬১% হারে বৃদ্ধি পেয়েছে এবং মোট আমানতের মধ্যে এখন কাসা অনুপাত হল ৪৩.৪%।

সংস্থা আরও জানাচ্ছে, আগের বছরের এই ত্রৈমাসিকের তুলনায় ব্যাঙ্কের অগ্রিম বৃদ্ধি পেয়েছে ২১%. এখন মোট অগ্রিমের পরিমাণ ৮৭,৫০৪ কোটি টাকা। ব্যাঙ্কের স্থিতিশীলতার সূচক ক্যাপিটাল অ্যাডেকোয়েসি রেশিও (CAR) এখন ২৩.৫%, যা প্রয়োজনীয় পরিমাণের চেয়ে বেশি বলে দাবী করছে সংস্থা।

৩১ মার্চ ২০২১ তারিখে শেষ হওয়া কোয়ার্টারে ব্যাঙ্কে নেট লাভ ১০৩ কোটি টাকা। পুরো ২০২০-২১ আর্থিক বর্ষের জন্য মোট লাভ ২২০৫ কোটি টাকা।

এই প্রসঙ্গে ব্যাঙ্কের এমডি এবং সিইও চন্দ্রশেখর ঘোষ বলেন, “গত এক বছরে অর্থনীতি ক্রমশ ঘুরে দাঁড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে আমরা চতুর্থ কোয়ার্টারে এবং 2020-21 আর্থিক বর্ষে ব্যবসার ভালো উন্নতি দেখতে পেয়েছি। দেশ একটা কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। এই সময় আমরা আমাদের মূল্যবান গ্রাহকদের যতরকমভাবে সম্ভব সাহায্য করতে বদ্ধপরিকর। বন্ধন ব্যাঙ্কের উপর বিশ্বাস রেখে যাওয়ার জন্য আমরা তাঁদের ধন্যবাদ জানাই।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.