ম্যাঞ্চেস্টার: ওল্ড ট্র্যফোর্ডে ইংল্যান্ড-পাকিস্তান টেস্ট সিরিজ দিয়ে শুরু হয়ে নো-বলে থার্ড আম্পায়াদের সিদ্ধান্ত৷ বুধবার ইংল্যান্ড ও পাকিস্তান টেস্ট সিরিজ শুরুর ঠিক আগে এমনটা জানিয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)৷

ইংল্যান্ড ও পাকিস্তানের মধ্য তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজে তৃতীয় আম্পায়ার প্রথমবারের মতো নো-বল ডাকবেন। বিশ্বক্রিকেটের সর্বচ্চো নিয়ামক সংস্থা জানিয়েছে, ক্রিকেটের দীর্ঘতম ফর্ম্যাটে ভবিষ্যতের ব্যবহার সম্পর্কে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে এই টেস্ট সিরিজে প্রযুক্তিটি ব্যবহার দেখে নেওয়ার চেষ্টা করা হবে।

আইসিসি মিডিয়া টুইটারে জানিয়েছে, ‘উভয় দলের সম্মতিতে ইংল্যান্ড এবং পাকিস্তান টেস্ট সিরিজে আইসিসি ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ সিরিজে ফ্রন্ট ফুট নো-বল প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। টেস্ট ক্রিকেটে ভবিষ্যতের ব্যবহার সম্পর্কে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে এই টেস্ট গুলিতে প্রযুক্তির পারফরম্যান্স পর্যালোচনা করা হবে৷’

বুধবার থেকে ওল্ড ট্র্যফোর্ডে শুরু হয়েছে ইংল্যান্ড ও পাকিস্তানের প্রথম টেস্ট৷ টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় পাকিস্তান৷ করোনা আবহে এটি দ্বিতীয় টেস্ট সিরিজ৷ এর আগে ঘরের মাঠেই ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে তিন টেস্টের সিরিজ খেলেছে৷ প্রথম টেস্ট হেরেও পরের দু’টি টেস্ট জিতে সিরিজ পকেটে পুরেছে ইংল্যান্ড৷ পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ইংল্যান্ডের এই তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজটি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ

জুলাইয়ে এটি নিশ্চিত হয়েছিল যে, টিভি আম্পায়াররা প্রথম পর্বের নো-বল ডাকা উদ্বোধন করবে আইসিসি বিশ্বকাপ সুপার লিগে৷ ওয়ান ডে সুপার লিগের শুরু হয় আয়ারল্যান্ড ও ইংল্যান্ডের মধ্যে তিন ম্যাচের ওয়ান ডে সিরিজ দিয়ে। মঙ্গলবারই ছিল তিন ম্যাচের সিরিজের শেষ ম্যাচে৷ যাতে ইংল্যান্ডের মাটিতে রেকর্ড রান তাড়া করে ওয়ান ডে ম্যাচ জিতে রেকর্ড গড়ে আয়ারল্যান্ড৷ প্রথম দু’ ম্যাচ হেরে সিরিজ খোয়ালেও শেষ ম্যাচে ইংল্যান্ডের ছুঁড়ে দেওয়া ৩২৯ রান তাড়া করে জেতে আইরিশবাহিনী৷ সেই সঙ্গে ভেঙে যায় ২০০২ সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন ভারতীয় দলের ন্যাটওয়েস্ট ট্রফির ফাইনালে ৩২৬ রান তাড়া করে ম্যাচ জয়ের রেকর্ড৷

তবে টেস্ট ক্রিকেটে প্রথমবার সরকারিভাবে থার্ড আম্পায়ারের ফ্রন্ট-ফুট নো-বল ডাকার সিদ্ধান্ত এই প্রথম৷ তবে এর আগে গত বছর ভারত-ওয়েস্ট ইন্ডিজ ওয়ান ডে সিরিজে ফ্রন্ট-ফুট নো-বল ডাকার থেকে প্রযুক্তি ব্যবহার করেছিল আইসিসি৷ সেটা ছিল পরীক্ষামূলকভাবে৷ আইসিসিস সেই ফলাফলে সন্তুষ্ট হওয়ায় তৃতীয় আম্পায়াররা চলতি বছরে মহিলা টি-২০ বিশ্বকাপে ফ্রন্ট-ফুট নো-বল ডাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল৷

পপ্রশ্ন অনেক: নবম পর্ব

Tree-bute: আমফানের তাণ্ডবের পর কলকাতা শহরে শতাধিক গাছ বাঁচাল যারা