সে না থাকলে হয়তো জীবনের সেরা অভিজ্ঞতাগুলো না বলাই থেকে যেত। সেই সঙ্গে মন দিয়ে ঝগড়া করা, হাসাহাসি, হুল্লোড় সব থেকে যেত অসম্পূর্ণ। সবথেকে প্রিয় সম্পর্ক বা কাছের সম্পর্ক হয়তো জীবনে এটাই হয়ে থাকে প্রতিটি মানুষের।

অভিভাবকদের সঙ্গে বয়সের তফাৎ বা সঙ্গীর সঙ্গে অনেক কিছু নিয়ে মনোমালিন্য হয়ে থাকে কারণ সব সবাইকে বলা যায় না। সেক্ষেত্রে এই একটা মানুষই আমাদের শেষ সম্বল। আমাদের বেস্ট ফ্রেন্ড বা প্রিয় বন্ধু জীবনের এমন কোনো সিক্রেট নেই যা জানে না কারণ তাকে না বললে তো ঘুমই আসে না। প্রিয় বন্ধুর সঙ্গে একাধিক মুহূর্ত আমরা কাটাই আর এই বিষয়ে বাকিদের সঙ্গেও মিল খুঁজে পাওয়া যায়।

১. লভ গুরু: প্রেমের সমস্যা হলেই সেই বেস্ট ফ্রেন্ড নিজে প্রেম না করলেও সমাধান ঠিক বাতলে দিতে পারে। কোন ছেলে চিট করতে পারে বা কোন ছেলে কাকে বাজে নজরে দেখে সেই সব বিচারশক্তি একমাত্র এই মানুষটিকেই দিয়েছে বলে আপনার মনে হয়। অনেক সময়েই তার পরামর্শ ভুল হয় ঠিকই কিন্তু পরামর্শ না নিয়ে আপনার মন খুঁতখুঁত করবে।

২. সে পরিবারের সদস্য: একসময় তাকে আপনার পরিবারের এমন কেউ থাকে না যে চেনে না। এমনকি আপনার বাড়ির নানা ছোট বড় অনুষ্ঠানেও ডাক পরে তার। পরিবারের লোকেরা তাকেও পছন্দ করেন।

আরো পোস্ট- লকডাউনে পার্টি… চিন্তা নয়, রইলো বেস্ট টিপস

৩. বয়ফ্রেন্ডের নিন্দা: একমাত্র তার কাছেই কাঁদতে কাঁদতে প্রেমিকের নামে যা খুশি বলা যায়। শুধু তাই না, আপনার প্রেমিক খারাপ হলে সেও তাকে নিন্দে করতে শুরু করে। এমনটা দুজনই করেন।

৪. খারাপ সময়ের সাপোর্ট: এই মানুষটি কোনো সময়েই আপনার ক্ষতি করতে পারে না। এই বিশ্বাসেই সে আপনার একটি কাঁধ হয়ে ওঠে। যে কোনো সময়ে তাকে একটি ফোন বা মেসেজ করলেই দূরে থাকলেও সাড়া সে ঠিক দেবে।

৫. গসিপের ভান্ডার: তার কাছেই জমানো আছে আপনার চোখে দেখা নানা আজগুবি মানুষের হিসেবে। এমনকি দশ বছর আগের ঘটনা নিয়েও তার সঙ্গে কাটিয়ে দেওয়া যায় ঘন্টার পর ঘন্টা। কলেজ বা অফিসে কে কেমন ছিল, কে কী করেছিল গোপনে সেইসব হিসেবে নিকেশ রয়েছে দুজনের তালিকাতেই।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.