হাবড়া : বাড়ির বাসিন্দাদের অচৈতন্য করে চুরি করে নিয়ে গেল চোর। ঘটনাটি ঘটেছে হাবড়ার সংহতি এলাকায়। রাতে গরমের জন্য ঘরের দরজা খুলেই শুয়েছিল। এম ন সুযোগেরই ‘সদব্যবহার’ করে চোর।

বাড়ির বাসিন্দাদের ঘুমের মধ্যেই অচৈতন্য করে চুরি করে পালাল চোর। গত কয়েকদিনের ব্যাপক গুমোট আবহাওয়ার জন্য বাড়ির দরজ করেই ঘুমাতে যাচ্ছিলেন বাপি পোদ্দার ও তার স্ত্রী চার বছরের ছোট্ট ছেলে। এদিন সকালে বাড়ির কর্তা বঙ্কিম পোদ্দার অর্থাৎ বাপির বাবা ছাদে গিয়ে দেখেন গয়না রাখা কাসকেটের বাক্স , তিনটি ব্যাগ ,কিছু জিনিসপত্র ও ইমিটেশনের গয়না পড়ে রয়েছে । এই দেখেই তার সন্দেহ হয়। তিনি সঙ্গে সঙ্গে ছেলের ঘরে যান তাকে ডাকতে। কিন্তু ছেলেকে অনেক ডাকার পর তাদের ঘুম ভাঙে। ঘুম থেকে ওঠার পরেও তারা বেশ অচৈতন্য অবস্থায় ছিল। তাদের বছর চারেকের সন্তানের ঘুম ভাঙে বেশ বেলার দিকে ।

ক্লোরোফর্ম ছিটিয়ে বেহুশ করেই সম্ভবত চুরি হয়েছে অনুমান বাড়ির লোকের ।সব সোনার গহনা ও একটা রুপোর গয়না নিয়ে চম্পট দিয়েছে চোর বলে বলে জানা গেছে । বাপির স্ত্রী মাম্পি পোদ্দারের অভিযোগ , তাদের অচৈতন্য করে এই লুটপাট হয়েছে। প্রায় চার থেকে পাঁচ ভড়ি সোনার গহনা নিয়ে গেছে চোরেরা । এরপর মছলন্দুপুর পুলিশ ফাঁড়িতে চুরির অভিযোগ জানায় পোদ্দার পরিবার ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।