হাওড়া : উলুবেড়িয়ার ফুলেশ্বর সাতমহল এলাকার একটি শনি-কালী মন্দিরে চুরি করতে এসে হাতেনাতে ধরা পড়ল এক যুবক। সূত্রের খবর, সোমবার রাতে ফুলেশ্বরের সাতমহল এলাকার শনি-কালী মন্দিরে চুরি করতে আসে তিনজন।

মন্দিরে থাকা সোনার গহনা, বাসন ও মাইকসেট চুরি করার সময় প্রহরারত এক যুবক দেখতে পান। দু’জন পালিয়ে গেলেও তিনি একজনকে ধরে ফেলেন। স্থানীয় মানুষ জানতে পেরেই উত্তম-মধ্যম মার দিয়ে উলুবেড়িয়া থানার পুলিশের হাতে যুবকটিকে তুলে দেয়। জানা গেছে, চোরটি ১৬ নং জাতীয় সড়কের পাশে নির্মীয়মান ব্রিজের লোহা ও সাইকেল চুরি করার পর মন্দিরে চুরি করতে এসেছিল। তখনই সে হাতেনাতে ধরা পড়ে যায়।

১৮ নভেম্বর পূর্ব বর্ধমানের মন্তেশ্বরের কানপুর গ্রামের ছ’টি মন্দিরে তালা ভেঙে চুরি হয়। গ্রামের একাধিক মুদির দোকান ও ডাকঘরেও ওই রাতে দুষ্কৃতীরা হামলা চালায় বলে অভিযোগ। তবে কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। গ্রামবাসীদের দাবি, মঙ্গলবার সকালে তাঁরা দেখেন তিনটি নারায়ণ মন্দির, একটি সর্বমঙ্গলা, অভয়া ও বলরামজিউ মন্দিরের তালা ভাঙা। কোথাও দুষ্কৃতীরা দরজার তালা ভেঙে, কোথাও গ্রিল ভেঙে ভিতরে ঢোকে বলে অভিযোগ। ঠাকুরের সোনা, রুপোর পৈতে, সোনার টিপ, কাঁসা-পিতলের বাসনপত্র, পুজোর ঘণ্টা নানা জিনিস চুরি গিয়েছে বলে অভিযোগ। এক রাতে পরপর চুরিতে আতঙ্ক বেড়েছে এলাকায়। আরও শীত পড়লে দরজা-জানালা বন্ধ, রাস্তায় লোক থাকার সুযোগ নিয়ে দুষ্কর্ম বাড়বে বলেও আশঙ্কা করছেন তাঁরা।

তার আগে ২০ অক্টোবর ধেনুয়া এবং গলাতুন এলাকায় তিনটে বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটে। নগদ টাকা এবং কয়েক লক্ষ টাকায় গয়না চুরি যায় বলে অভিযোগ। ঘটনার পরের দিন চুরি যাওয়া একটি মোটরবাইক ঝিকরা এলাকা থেকে পুলিশ উদ্ধার করে। ১১ নভেম্বর মাঝেরগ্রাম এলাকায় ফের তিনটি দোকান ও দুটি বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটে। দুষ্কৃতীরা এলাকার উপপ্রধান সুমন্ত রায়ের বাড়িতেও চুরির চেষ্টা চালায় বলে অভিযোগ। তবে লোকজন জেগে যাওয়ায় তারা এলাকা থেকে পালিয়ে যায়। তবে এখনও পর্যন্ত কোনও ঘটনারই কিনারা করতে পারেনি পুলিশ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।