লন্ডন: প্রত্যাশামতোই চেলসির জার্সি গায়ে চাপালেন ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডার থিয়াগো সিলভা। শুক্রবার প্রাক্তন পিএসজি অধিনায়ককে একবছরের চুক্তিতে সই করিয়ে নিল পশ্চিম লন্ডনের ফুটবল ক্লাবটি। একবছরের জন্য চুক্তিবদ্ধ হলেও আরও একবছর চুক্তি বর্ধিত করার অপশন সিলভার সামনে খোলা রেখেছে চেলসি।

উল্লেখ্য, উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে বায়ার্ন মিউনিখের কাছে হারের পরেই পিএসজি ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন সিলভা। মরশুম শেষে চুক্তি শেষ হয়ে যাওয়ার পর নতুন করে সিলভার সঙ্গে আর কোনও আলোচনা করেনি প্যারিসের ক্লাবটি। ফলে ফ্রি-ট্রান্সফারে অন্য ক্লাবে যাওয়ার রাস্তা খোলা ছিল ব্রাজিলিয়ানের কাছে। শুরু থেকেই এই সেন্টার-ব্যাকের চেলসিতে যোগদানের সম্ভাবন তৈরি হয়। কোচ ফ্র্যাঙ্ক ল্যাম্পার্ড ভীষণভাবে সিলভাকে ক্লাবে পেতে আগ্রহী ছিলেন। অবশেষে ল্যাম্পার্ডের পছন্দকে মান্যতা দিয়েই ৩৫ বছরের ব্রাজিলিয়ান সেন্টার-ব্যাককে দলে নিল চেলসি।

উল্লেখ্য দলবদলের বাজারে টিমো ওয়ার্নার, হাকিম জিয়েচ, বেন চিলওয়েলকে স্কোয়াডে অন্তর্ভুক্ত করে আগামী মরশুমের জন্য ভালোই দল গুছিয়ে নিয়েছে চেলসি। সেই স্কোয়াডে সিলভার মতো অভিজ্ঞ ডিফেন্ডারের অন্তর্ভুক্তি যে ব্লুজ ব্রিগেডকে আরও শক্তিশালী করল, সেটা বলাই বাহুল্য। বুধবার সোশ্যাল মিডিয়ায় এক বার্তার মধ্যে দিয়ে প্যারিসের ক্লাবকে বিদায় জানিয়েছিলেন সিলভা। এরপর নতুন ক্লাবে সই করার আগে সিলভা মিলানে উড়ে গিয়েছিলেন মেডিক্যাল দিতে। শুক্রবার মিলান থেকে লন্ডন ফিরেই চেলসিতে সই পর্ব সেরে ফেলার কথা ছিল সিলভার। সেইমতোই এগোল সবকিছু।

যদিও আপাতত ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে তাঁকে। তবে আট বছর পর নতুন কোনও ক্লাবে যোগ দিয়ে উচ্ছ্বসিত সিলভা। তিনি জানিয়েছেন, ‘চেলসিতে যোগ দিয়ে আমি উচ্ছ্বসিত। আগামী মরশুমে ফ্র্যাঙ্ক ল্যাম্পার্ডের স্কোয়াডের একজন অংশীদার হতে পেরে ভীষণ আনন্দ হচ্ছে। ক্লাবের হয়ে সম্মান জেতাই চ্যালেঞ্জ আমার কাছে।’ একইসঙ্গে অনুরাগীদের তিনি বলেন, খুব শীঘ্রই দেখা হচ্ছে।

এর আগে প্যারিসের ক্লাবকে বিদায় জানিয়ে সিলভা এক বার্তায় লেখেন, ‘দীর্ঘ আট বছর কাটানোর পর পিএসজি’তে আজ একটা বৃত্ত সম্পূর্ণ হল। আমি ধন্যবাদ জানাতে চাই আমার সতীর্থ, সমগ্র কোচিং স্টাফ, বোর্ড এবং অনুরাগীদের। একইসঙ্গে সিটি অফ লাইটে কয়েকটা দারুণ বছর কাটানোর জন্য আমি কৃতজ্ঞ আমার পরিবার, বন্ধু এবং সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের প্রতি।’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।