নয়া দিল্লি: বিয়ে মানেই দুটি মানুষের একসঙ্গে পথ চলার অঙ্গীকার। কিন্তু ধরুন আপনার স্বামীটি মানুষ না হয়ে কোনো গাছ বা কম্বল বা অন্য কোনো জড়বস্তু হলো। ভাবতে পারবেন এটা? মেনে নিতে পারবেন সেই বস্তুকে স্বামী হিসেবে? এই নারীরা কিন্তু এমনভাবেই বিয়ে করেছে। তাদের এই জীবনযাত্রা ও বিয়ের ধরণ অবাক করবেই।

১. আইফেল টাওয়ারকে বিয়ে: প্যারিসের বিখ্যাত আইফেল টাওয়ারকেই নিজের মন দিয়েছেন এই মহিলা। ইতালিয়ান এরিকা আয়া ২০০৭ সালে এক অদ্ভুতভাবে বিয়ে করলেন এই টাওয়ারকে। আমেরিকা এবং ইটালি দুই দেশেরই নাগরিকত্ব নিয়েছেন তিনি। সময় পেলেই নিজের স্বামীর সঙ্গ পেতে ছুটে যান তিনি।

২. গাছকে বিয়ে: আমরা অনেকেই প্রকৃতিপ্রেমী হয়ে থাকি। কিন্তু তাই বলে গাছকেই বিয়ে করে বসব কি? এই মহিলা সত্যি প্রেমিকা হয়ে উঠলেন একটি গাছের। ইংল্যান্ডের রিমরোজ ভ্যালি কান্ট্রি পার্কের বগাছ কাটাকে আটকাতে একটি গাছকে রীতিমতো বিয়ে করলেন এই মহিলা। ২০১৯ সালে বিয়ে করেন কেট। শুধু তাই নয়, সবাইকে চমকে দিয়ে ২০২০ সালের ১৫ সেপ্টেম্বরে তিনি নিজের প্রথম বিবাহ বার্ষিকীও পালন করেছেন।

আরো পোস্ট- হীরের ভান্ডার এই দেশ আসলে গরিব!

৩. জলদস্যুর প্রেতাত্মাকে বিয়ে: ভূতকে কখনো বিয়ে করার ভাবনা আসবে আপনার মাথায়? কিন্তু ভাবলেও অবাক লাগে যে এই মহিলা তার সঙ্গেই সুখের সংসার করেছেন এক সময়ে। আবার অন্তরঙ্গও হয়েছেন তিনি আত্মাটির সঙ্গে। ৪৬ বছরের আমান্দা বিয়ে করেন ১৮ শতকের এক জলদস্যুর প্রেতাত্মাকে। তবে বিয়ের কিছু সময় পর নাকি তাদের মধ্যেকার সম্পর্ক আর তেমন ভালোবাসার থাকে না। তাই আলাদা থাকা শুরু করেন। শেষে আবার বিচ্ছেদও হয়ে যায় তাদের।

৪. লেপকে বিয়ে: যুক্তরাজ্যের বাসিন্দা প্যাস্কেল সেলিক তার লেপকে বিয়ে করার পরিকল্পনা করেছেন। তার মতে লেপের সঙ্গেই তার অন্তরঙ্গতা জমে সবচেয়ে বেশি। তাছাড়া একে জড়িয়ে তিনি তার মনের কথা বলতেও পারেন। বিয়ের সময় তিনি গাউন পরলেও স্বামী বিয়ের আসরে কী পরবে তা তিনি সাসপেন্স ।রাখতে চেয়েছেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.