হাওড়া: গত বছর মার্চ মাসে পরিবার নিয়ে ওডিশার রাউড়কেল্লায় গিয়েছিলেন হাওড়ার নন্দীবাগান এলাকার এক বাসিন্দা। হঠাৎ লকডাউন শুরু হওয়ায় দীর্ঘদিন বাড়ি ফিরতে পারেননি। হাওড়ার বাড়িতে ছিলেন ওই ব্যক্তির ছেলে। তার বিরুদ্ধেই বাড়িতে থাকা কয়েক লক্ষ টাকার সোনা, রূপা সহ বিভিন্ন গহনা হাতিয়ে চুরির অভিযোগ উঠল।

পুলিশ ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় দু’জনকে গ্রেফতার করেছে। জানা গিয়েছে, ধৃত যুবকদের নাম ঋষভ আগরওয়াল ও অঙ্কিত আগরওয়াল। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঋষভের পরিবার তাকে হাওড়ার বাড়িতে রেখে ওডিশার রাউড়কেল্লায় গিয়েছিলেন। হঠাৎ লকডাউন শুরু হওয়ায় তারা দীর্ঘদিন সেখানে আটকে যান। সেই ফাঁকেই নিজের বাড়ির আলমারিতে থাকা কয়েক লক্ষ টাকার গয়না হাতিয়ে নেয় বছর বাইশের যুবক ঋষভ। এই কাজে তাকে সহযোগিতা করে তারই দূর সম্পর্কের আত্মীয় ও বন্ধু অঙ্কিত আগরওয়াল। অন্যদিকে, ঋষভের বাবা বাড়ি ফিরে গহনার হদিস না পাওয়ায় কয়েকদিন আগেই গোলাবাড়ি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। ঘটনার তদন্ত শুরু করে হাওড়া সিটি পুলিশ।

তদন্তে নেমে প্রথমেই ঋষভকে পুলিশ জেরা করে। সেখানেই সে ভেঙে পড়ে ও তার সহযোগী অঙ্কিতের কথা জানায়। পুলিশ ইতিমধ্যেই খোয়া যাওয়া গহনা উদ্ধার করার পাশাপাশি ঋষভ ও অঙ্কিতকে গ্রেফতার করেছে। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, নিজেদের উচ্চাকাঙ্খা পূরণ করতেই এই ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছে এই দু’ই যুবক।

বছর একুশের ছেলেকে বাড়িতে রেখে ওডিশার রাউরকেল্লায় বেড়াতে গিয়েছিলেন বিকাশ আগরওয়াল। মার্চ মাসের পর গত ২০ ফেব্রুয়ারি গোলাবাড়ির নন্দীবাগানে বাড়ি ফিরে আসেন তাঁরা | আলমারি খুলে দেখেন বাড়িতে রাখা সোনা ও রুপোর জিনিসপত্র উধাও। ছেলেকে জিজ্ঞাসা করেলে ছেলে জানায় এই বিষয়ে তার কিছু জানা নেই। কাজে কর্মে বাইরে বেরিয়ে যেত সে, তখন হয়তো চোর চুরি করে নিয়ে গিয়েছে । ওই দিন রাতেই গোলাবাড়ি থানায় গিয়ে অভিযোগ দায়ের করেন বিকাশবাবু।

তদন্তে নেমে পুলিশ বিকাশ আগরওয়ালের ছেলে ঋষভ আগরওয়ালকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে । বেশ কয়েকবার জিজ্ঞাসাবাদে ভেঙে পরে ঋষভ | চুরির ঘটনা স্বীকার করে সে | পুলিশ ঋষভকে গ্রেফতার করে নিজেদের হেফাজতে নেয় পুলিশ | চুরি যাওয়া সামগ্রীর খোঁজ করতে গিয়ে ঋষভের এক বন্ধু অঙ্কিত আগরওয়ালের বাড়ি থেকে চুরি যাওয়া সামগ্রী উদ্ধার করে এবং গোটা চুরির ঘটনা অঙ্কিতের যোগ পায় পুলিশ |

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।