স্টাফ রিপোর্টার , কলকাতা : করোনা নিয়ে ভুগছে বিশ্ব। এই গরীবের দেশ কতটা ঠেকিয়ে রাখবে হার্ড ইমিউনিটি দিয়ে। কোন পথে বাংলা করোনাকে ঠেকিয়ে রাখবে? চড়া সংক্রমণ রেট পরিস্থিতিতে আর কতটা ক্ষমতা রয়েছে রাজ্যের চিকিৎসা ব্যাবস্থার ? প্রশ্ন অনেক। উত্তর খুঁজছে মানুষ। উত্তর দিলেন ডঃ সুকমল বিষয়ী।

সুকমল বিষয়ী বলেন, ‘হার্ড কথার অর্থ গোষ্ঠী। ইউমিউনিটির অর্থ প্রতিরোধ ক্ষমতা। এবার একটা কমিউনিটিতে যদি ১০০ জন মানুষ বাস করেন। তার মধ্যে ৭০ জনের মধ্যে যদি এই ভালো প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে ওঠে তাহলে বাকি ৩০ জনের মধ্যে তা সংক্রমন হবে না।’

একইসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমাদের রাজ্যের চিকিৎসার পরিকাঠামো এখনও ভালো নয়। অনেক উন্নতির প্রয়োজন। এটা মানতে হবে কোভিড এসেছে। সেটার জন্য স্বাস্থ্যক্ষেত্রে ভালো পরিকাঠামোর প্রয়োজন। কারণ অন্যান্য সমস্যাও অর্থাৎ রোগ তো আছে সেগুলোকে যদি না দেখাশোনা করা হয় এই কোভিড এসেছে বলে তাহলে তো খুব বাজে অবস্থা হবে যে কোনও মুহূর্তে।’

দেখা যাচ্ছে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মানুষ বিধি মানছেন না। বাস ট্রামে মানা সম্ভব হচ্ছে না বিপুল জনসংখ্যার জন্য কিন্তু যেখানে সহজেই মানা যায় সেখানে মানুষ মানছেন না। চিকিৎসকের কথায়, ‘ব্রিদিং এটিকেটটা মানতেই হবে। এখন বেশিরভাগই অ্যাসিমটমেটিক।

তো তাঁরা বিশেষ ক্ষতিকর নয়, তবু সমস্যা নেই একেবারে বলা যায় না। এবার এর জন্য মুখ মাস্ক পরতে হবে। দূরত্ব বিধি মানতে হবে। বাইরে থেকে বাড়িতে এসে ওই জামাকাপড় খুলে কেচে দিতে হবে গরম জলে বা কিছু দিয়ে। তারপর স্নান করতে হবে বা হাত হাত পা ভালো করে সাবান দিয়ে ধুতে হবে।

এরপর যেমন বাড়িতে থাকেন থাকবেন। এবং অবশ্যই বাইরে বেরোলে হ্যান্ড স্যানিটাইজার সঙ্গে রাখবেন’ এইগুলো যদি একটু মানা যায় তাহলে অনেকের সমস্যার হাল হতে পারে বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসক।

প্রশ্ন অনেক-এর বিশেষ পর্ব 'দশভূজা'য় মুখোমুখি ঝুলন গোস্বামী।