বিশ্বাসে মিলায় বস্তু, তর্কে বহুদূর৷ এই প্রবাদবাক্যটি লোকমুখে ঘুরে বেরায়৷ বিশ্বে এমন অনেক জিনিসই রয়েছে৷ যার কোনও ব্যাখ্যা নেই৷ দিনের পর দিন শুধুমাত্র বিশ্বাসের জেরেই মানুষ সেই সমস্ত জিনিস ব্যবহার করেন৷ বাড়ির বাস্তুতন্ত্র ঘিরেও রয়েছে এমন কিছু বিশ্বাস৷ যেমন বাড়ির প্রবেশদ্বারে যদি আপনি নিম্নলিখিত জিনিসগুলি রাখেন৷ তাহলে আপনার ভাগ্য হয়ে উঠবে সুপ্রসন্ন৷ কেউ আপনাকে আপনার সমৃদ্ধির পথ আটকে রাখতে পারবেনা৷

১) প্রবেশদ্বারের মুখেই একটি কাঁচের জার রাখতে হবে৷ আর তার মধ্যে রাখতে হবে বেশ কিছু তাজাফুল৷ এটি আপনার জীবনে একটি ইতিবাচক দিক নিয়ে আসতে পারে৷ তবে এই সমস্ত ফুলগুলি প্রতিদিন পরিবর্তন করতে হবে৷

২) অশ্বথ্থ, আম এবং অশোক গাছের পাতা দিয়ে একটি মালা বানিয়ে সেটি বাড়ির দরজায় ঝুলিয়ে রাখতে হবে৷ বাড়ির ভিতর থেকে সমস্ত নেগেটিভিটি সরিয়ে দেওয়ার জন্যই এই বিশেষ মালা বাড়ির প্রবেশদ্বারে ঝুলিয়ে রাখতে হবে৷

৩) বাড়ির প্রবেশদ্বারে লক্ষ্মী ঠাকুরের ছবি টানিয়ে রাখতে হয়৷ কথিত আছে, এর ফলে বাড়িতে অনেক টাকার আগমন হয়৷বাড়ির দরজার সামনে জুতো রাখার ব়্যাক রাখা উচিত৷

৪) লক্ষ্মী ঠাকুরের পায়ের ছাপ রাখা উচিত প্রবেশদ্বারের সামনে৷ পায়ের সামনের দিকটি ঘরের দিকে থাকবে৷ বলা হয়, এরফলে বাড়িতে অনেক টাকার আগমণ হয়৷

৫) শুভ লাভ-র চিহ্ন রাখা উচিত বাড়ির দরজার সামনে৷ তাহলেও বাড়ির লোকের ভাগ্য সুপ্রসন্ন হয়৷

৬) স্বস্তিকা চিহ্নও ব্যবহার করা হয় দরজার সামনে৷ যেকোনোও বাড়ির দরজার মুখেও এই চিহ্ন রাখতে হবে৷

৭) বাড়ির প্রবেশদ্বারটা সবথেকে বড় করে তৈরি করা উচিত৷ বাকি দরজাগুলো যাতে ছোট হয় সেদিকে লক্ষ রাখাও বিশেষ প্রয়োজন৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।