সৌপ্তিক বন্দ্যোপাধ্যায় : সৈকত,গার্গী,যোগেশদের প্রত্যেকেই পড়ুয়া। কেউ কম্পিটিটিভ পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে,আবার কেউ কলেজের গন্ডীই এখনো অতিক্রম করেনি।নিজেদের কেরিয়ার গড়ার পাশাপাশি ওরা সামিল হয়েছে সমাজের পাশে দাঁড়ানোর লড়াইয়ে। দীর্ঘ লকডাউনের জেরে কাজ হারানো বহু মানুষের সঙ্গী হয়েছে উলুবেড়িয়ার এরকমই একঝাঁক তরুণ-তরুণীর সমন্বিত ‘চারণ দল’ নামক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন।

লকডাউনে ৩২০ টি দিন আনা দিন খাওয়া পরিবারকে খাদ্যসামগ্রী তুলে দেওয়ার পাশাপাশি,বেশ কিছু পড়ুয়ার সঙ্গী হয়েছে এই স্বেচ্ছাসেবীরা। সুপ্রিয়,অভিজিৎ,বর্ণালীরা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে আমফানের তান্ডবে ভেঙে পড়া গাছের পাশেই বসিয়েছে নতুন প্রাণ,আবার করোনা আবহে সাধারণ মানুষের হাতে তুলে দিয়েছে রোগ প্রতিরোধকারী সাড়াজাগানো হোমিওপ্যাথি ওষুধ।সংস্থাটির অন্যতম সদস্য উলুবেড়িয়া কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র সৈকত নাথের কথায়,”আমরা প্রায় প্রত্যেকেই শিক্ষার্থী। নিজেদের হাত খরচ বাঁচিয়ে আমরা এধরণের উদ্যোগে সামিল হয়েছি।সমাজের স্বার্থে আমাদের এই লড়াই চলবে।”

প্রসঙ্গত, প্রথম দফার আনলক শেষ হচ্ছে আগামী ৩০ জুন। অর্থাৎ আগামিকাল মঙ্গলবার। এবার নতুন পর্যায়ের আনলকের গাইডলাইন জারি করল কেন্দ্রীয় সরকার। আজ সোমবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফ থেকে এই গাইডলাইন প্রকাশ করা হয়েছে। নতুন গাইডলাইনে বেশ কিছু ক্ষেত্রে নিয়মের শিথিলতা বাড়ানো হয়েছে। যেমন নাইট কার্ফুর সময়সীমাতে বদল আনা হয়েছে। এবার থেকে নাইট কার্ফু জারি থাকবে রাত ১০টা ভোর পাঁচটা পর্যন্ত। এতদিন পর্যন্ত কোনও দোকানে পাঁচজনের বেশি কারোর দাঁড়ানোর অনুমতি ছিল না। নতুন পর্যায়ে পাঁচজনের বেশি যেতে পারবে। তবে অবশ্যই সামাজিক দূরত্ব মানতে হবে সবাইকে। আর তা মেনেই দোকানে দাঁড়ানোর কথা বলা হয়েছে দ্বিতীয় পর্যায়ের আনলকে।

তবে ৩১ জুলাই পর্যন্ত কনটেনমেন্ট জোনগুলিতে জারি থাকছে লকডাউন। এই সমস্ত এলাকায় লকডাউনের নিয়ম কড়া ভাবে মেনে চলার কথা বলা হয়েছে। জেলাশাসক এবং জেলা আধিকারিকদের দফতরে কনটেনমেন্ট জোনের তালিকা পাওয়া যাবে। কনটেনমেন্ট জোনের বাইরে অন্যান্য সব ক্ষেত্রে ছাড় থাকলেও যে সব জায়গাগুলি এখনই খুলছে না সেগুলি হল মেট্রো রেল, সিনেমা হল, জিম, সুইমিং পুল, বার, অডিটোরিয়াম ইত্যাদি। এছাড়াও ধর্মীয় অনুষ্ঠান, সামাজিক অনুষ্ঠান, খেলা কিংবা বিনোদনমূলক অনুষ্ঠান আপাতত বন্ধ থাকছে বলে গাইডলাইনে জানানো হয়েছে। অন্যদিকে, কনটেনমেন্ট জোনের বাইরে কোনও কোনও ক্ষেত্র খোলা থাকবে সেই সিদ্ধান্ত নেবে রাজ্য সরকার। সংশ্লিষ্ট রাজ্য আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনা করেই এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানাবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।