সকাল শুরু হোক যোগ দিয়ে। তাই সেই সকাল সমৃদ্ধ হলে দিনটাও ভালো যাবে। এমনটাই গুরুজনেরা বলে থাকেন। তাই শরীর সুস্থ থাকলে, মন সুস্থ। একদম সকালে প্রথম সূর্যের আলোতে যোগ শরীরের কাছে বড় পুষ্টি। তাই বিশ্ব যোগ দিবসের আগে যোগের প্রতি আকর্ষণ বাড়াতে জনপ্রিয় কিছু যোগচর্চা দেখে নিতে পারেন।

যে সাবলীল যোগ আপনি প্রতি সকালে চেষ্টা করতে পারেন:

১) সূর্য নমস্কার

প্রতিদিন আপনি দিন শুরু করতে পারেন সূর্য নমস্কার করে। একজন শিক্ষানবিশ প্রথমে পাঁচটি চক্র পূরণ করতে পারেন। আর অভিজ্ঞরা ২১টি চক্র। নিজের শারীরবৃত্তীয় চক্রকে সঠিক পথে চালিত করতে এই আসন উপকারী। সূর্য নমস্কারের মধ্যে দিয়ে দিন শুরু করলে আপনার মন তাজা থাকবেই।

২. বৃক্ষ আসন

সোজা দাঁড়ান ডান পা মাটির সঙ্গে ৯০ ডিগ্রি কোণে ভাঁজ করুন এবার হাত দিয়ে সেই পা ধরে শরীরে ভারসাম্য ঠিক করে ভাঁজ করা পা-কে বাঁ পায়ের উরুর সঙ্গে ঠেকান এবার হাতের কব্জি দুটি নমস্কারের ঢংয়ে মাথার ওপরে সোজা তুলুন। নিশ্চিত করুন আপনার পিঠ পুরো সোজা আর মুখ একদম সামনের দিকে । এই অবস্থায় স্বাভাবিক নিঃশ্বাস নিন। একই জিনিস বাঁ পায়ের সঙ্গে করুন

৩. তদাসন

দুটি পা পাশাপাশি রেখে সোজা হয়ে দাঁড়ান পিঠ একদম সোজা রাখুন। দুটো তালু একসঙ্গে করে চেপে ধরুন। এবার শ্বাস নিন আর জোড়া হাত দু’পাশে তুলুন। হাত দু’টি যাতে পৃথক না হয় এবার মাথা পিছনে আর দু’কাঁধের দিকে হেলান এভাবে পাঁচ থেকে দশ সেকেন্ড করুন। চাপ কমাতে এই আসন কার্যকরী

৪. মার্জার আসন

সোজা দাঁড়ান। হাঁটু ভাঁজ করুন। মাটিতে শরীরের ওপরের অংশ উপুর করুন। ফ্লোর ম্যাটের ওপর তালু আর হাঁটু বসান। নিশ্চিত করুন আপনার কাঁধের ভর যেন তালু আর হাঁটু ওপর থাকে। যখন নিঃশ্বাস নেবেন পিঠ ওপরের দিকে তুলুন। যখন প্রশ্বাস নেবেন পিঠ আবার নীচের দিকে নামান আর ওপরে তাকান এভাবে পাঁচবার করুন। পিঠের ব্যথা উপশমে অব্যর্থ মার্জার আসন কাজ দেয়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।