কলকাতা: ধীরে ধীরে পুরনো ছন্দে ফিরছে দেশ। মহামারীর বিভীষিকা এখনো মানুষের মনে থেকে গেলেও, স্বাভাবিক জীবনে ফেরার জন্য প্রত্যেকেই ব্যাকুল হয়ে রয়েছেন। তাই মুখে মাস্ক আর ব্যাগে স্যানিটাইজার এর বোতল নিয়ে বেরিয়ে পড়ছেন মানুষ। নিরাপত্তা বজায় রেখেই সমস্ত কাজ করার চেষ্টা করা হচ্ছে। একদিকে যেমন ট্রেন চলতে শুরু করেছে তেমনই কলকাতাবাসী অপেক্ষা করে রয়েছে মেট্রো চলার। আর এর সঙ্গেই বিনোদন জগতের মানুষ কিংবা চলচ্চিত্রপ্রেমীরা আশার আলো দেখতে শুরু করেছেন। তবে কি এবার সিনেমা হল খুলবে? আবার কি মাথা উঁচু করে বড় পর্দার দিকে তাকিয়ে সিনেমাপ্রেমীরা গোটা ছবি উপভোগ করতে পারবেন? তাদের জন্য সুখবর, কয়েকটি ছবি বড় পর্দাতেই মুক্তি পাবে।

বেশ কিছুদিন ধরে সিনেমা হল খোলার দাবিতে সরব হয়েছিলেন টলিউডের বহু অভিনেতা। কারণ বিগত কয়েক দিনে বেশ কিছু ছবি বড় পর্দার বদলে মুক্তি পেয়েছে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে।#savethecinema হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে কেন্দ্রের কাছে সিনেমা হল খোলার আবেদন করেছিলেন অভিনেতা তথা সাংসদ দেব। এ ছাড়াও বহু অভিনেতারা এই একই আবেদন করে সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট করেন। প্রযোজনা সংস্থা এসভিএফ-ও এই হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে সিনেমা হল খোলার বিষয়ে উদ্যোগী হয়েছে।

বন্যেরা বনে সুন্দর, সিনেমা সিনেমাহলে। এই ট্যাগ লাইন ব্যবহার করে একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে প্রযোজনা সংস্থা। ভিডিওতে এসভিএফ এর বেশ কিছু ছবির বিভিন্ন অংশকে জড়ো করে প্রকাশ করা হয়েছে। মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছে সিনেমা দেখার আসল মজা সিনেমা হলে। একটা অন্ধকার বিরাট ফলের মধ্যে মাথা উঁচু করে পর্দার দিকে তাকিয়ে কখনো চোখের জল ফেলা বা কখনো হেসে গড়িয়ে পড়া কখনোই মোবাইলের স্ক্রিনে সম্ভব নয়। এই ভিডিওর ভাষ্যপাঠ করেছেন অভিনেতা অনির্বাণ ভট্টাচার্য।

জানা যাচ্ছে এই প্রযোজনা সংস্থার দেব অভিনীত ছবি গোলন্দাজ বড় পর্দাতেই মুক্তি পাবে। এছাড়া এই তালিকায় রয়েছে অনির্বাণ ভট্টাচার্য অভিনীত ড্রাকুলা স্যর, প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় অভিনীত কাকাবাবুর প্রত্যাবর্তন। তাই আশা করা যায় খুব শীঘ্রই বাঙালি আবার হলে গিয়ে সিনেমা দেখতে পারবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।