কলকাতা: ভারতে কিডনিতে পাথরের সমস্যায় বেশিরভাগ মানুষ ভোগেন। এর জন্যে দায়ী জীবনযাপন পদ্ধতি। এই সমস্যা দিনদিন বেড়েই চলেছে। পাথরের কষ্ট ও যন্ত্রণা এতটাই মারাত্মক যে গোটা শরীরকে নাজেহাল করে দেয়। যে কোনো বয়সে যে কোনো ব্যক্তির হতে পারে এই রোগ। এই কারণে আপনার ডায়েটে এমন কিছু রাখা আবশ্যক যা পাথরের সম্ভাবনাকে হ্রাস করতে সক্ষম।

পাথরের সমস্যাকে বাড়ার হাত থেকে বাঁচাতে একমাত্র মোক্ষম দাওয়াই হলো জল। সারাদিনে প্রচুর জলপানের পরামর্শ দিচ্ছেন সব ডাক্তাররাও। এখন তো গরমকাল এসেই গেছে। তাই জল পানের পরিমাণ এমনিতেই বেড়ে যাবে। ৮ থেকে ১২ গ্লাস জল খেতেই হবে যাতে টক্সিন শরীর থেকে বেইয়ে যায়। তবে সেই সঙ্গে কিছু ছোট হেলথ ড্রিঙ্ক রাখুন ডায়েটে।

১. লেবুতে থাকে সাইট্রেট যা ক্যালসিয়াম স্টোন তৈরি হওয়া আটকাতে পারে। তাই লেবু জল নিজেই বানান বাড়িতে আর রোজ পান করুন।

২. আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে তুলসীকে নানা রোগের পথ্য হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। তুলসীর রসে থাকা অ্যাসিটিক অ্যাসিড কিডনি স্টোনের মরণ বাণ। ব্যথাতেও মুক্তি পাবেন। তুলসীর রসে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট, অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি উপাদান থাকে যা রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখে।

৩. অ্যাপেল সিডার ভিনিগারে অ্যাসিটিক অ্যাসিড থাকে যা কিডনি স্টোনকে আটকাতে পারে।

আরো পোস্ট- বিশ্ব কিডনি দিবস: আয়ুর্বেদেই লুকিয়ে কিডনির সুস্থতা

৪. জোয়ানের রসে একটি পুষ্টিগুণ পাওয়া গিয়েছে যা শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের করতে পারে তাড়াতাড়ি। দিনে একবার বা তার চেয়েও বেশি এই রস পান করতে পারেন।

৫. বেদানার জ্যুসে একটি অদ্ভুত শক্তি আছে যার জন্যে যুগ যুগ ধরে কিডনি স্টোনে এটি ব্যবহৃত হচ্ছে। অ্যান্টি অক্সিডেন্ট উপাদানগুলি কিডনিকে সবল রাখে।

৬. কিডনি বিনস হিসেবে পরিচিত রাজমার জল পাথর হওয়া আটকে দেয়। পাথর হলে সেটা শরীরের বাইরে বের করতেও সক্ষম এটি। দিনভর রাজমা জলে ভিজিয়ে রেখে দেবেন। সেই জল পান করলে বেশ লাভ হবে।

৭. হর্সটেল নামক একটি ফার্ন জাতীয় উদ্ভিদে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ও সিলিকা থাকে। এগুলো লাভদায়ক উপাদান কিডনির পাথরের জন্যে। প্রস্রাবের প্রবাহ বাড়াতে এটি খুব উপকারী। এতে প্রস্রাবের মাধ্যমে পাথর বেরিয়ে আসে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.