লন্ডন: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ‘অকর্মণ্য’ বলেছিলেন ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত কিম ডেরকে৷ এবার তাঁর প্রতি সমর্থন ঘোষণা করলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে। ব্রিটিশ পিএমও থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূতের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর পূর্ণ সমর্থন রয়েছে।

এদিকে ফাঁস হওয়া বেশকিছু ই-মেলে ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত ডেরকের মন্তব্য ও মূল্যায়নের প্রতিক্রিয়ায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার সঙ্গে আর কাজ করবেন না বলে জানিয়ে ছিলেন। এই পরিস্থিতিতে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় রাষ্ট্রদূতকে নিয়ে তাদের অবস্থান পরিষ্কার করে দিল।

ফাঁস হওয়া ওই ইমেলগুলিতে ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত ডেরক বর্তমান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে অকর্মণ্য হিসেবে আখ্যায়িত করেন। তারপরে রবিবার ব্রিটিশ পত্রিকা ডেইলি মেল যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূতের একগুচ্ছ গোপনীয় ই-মেল প্রকাশ করেন। ফাঁস হওয়া ওইসব বার্তায় ডেরেক ট্রাম্পের শাসনামলে হোয়াইট হাউজকে একেবারেই অকার্যকর ও বিভক্ত বলে মন্তব্য করেছেন।

বন্ধু রাষ্ট্র ব্রিটেনের রাষ্ট্রদূতের এ ধরণের মন্তব্যে আবারও বিব্রতকর অবস্থায় পড়েছেন ট্রাম্প। সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলোতে এ নিয়ে নানা ধরণের মন্তব্য করছেন অনেকেই। অনেকেই লিখেছেন, ট্রাম্প যে অকর্মণ্য তা ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত বুঝতে পারলেও ব্রিটিশ সরকার তা বাস্তবে উপলব্ধি করতে পারছে না।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।