ফাইল ছবি

স্টাফ রিপোর্টার, বালুরঘাট: সাম্প্রতিক কালে রাজনৈতিক ময়দানে সবচেয়ে আলোচিত স্লোগান ‘খেলা হবে’। শাসক, বিরোধী সবার মুখেই শোনা যাচ্ছে এই স্লোগান। বাংলায় এসে সেই রাজ্যের শাসক দলকে বিঁধতে সেই স্লোগানকেই হাতিয়ার করলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং৷ শুক্রবার পরিবর্তন যাত্রার সূচনায় এসে বালুরঘাটের দিশারী ময়দানের জনসভায় রাজনাথ বললেন, বাংলায় উন্নতির খেলা হবে, শান্তির খেলা হবে।

বাঙালির মন পেতে দফায় দফায় রাজ্য়ে আসছেন বিজেপির হেভিওয়েটরা৷ সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখেই রাজ্যে এসেছিলেন কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি। রাজনাথ বলেছেন, “মমতা দিদি দাদাগিরি চলবে না।” সীমান্তে সুরক্ষা সংক্রান্ত নিয়ম সহ যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো রাজ্য মানছে না বলেও অভিযোগ রাজনাথের। তিনি বলেন, এই রাজ্যের সীমানায় বাংলাদেশ। কিন্তু ৯০০ কিলোমিটার জুড়ে কোনও সীমানা নেই। রাজ্য সরকার কেন্দ্রকে কোনও জমি দেয়নি। তবে মমতাকে রাজনাথের আক্রমণের ঝাঁঝ মোদী-শাহর মতো ছিল না৷

এদিন তাঁর ভাষণের ফাঁকে বারবার বাংলা বলতে শোনা যায় রাজনাথকে। বাংলায় কথা বলার পরই মঞ্চে উপস্থিত অন্য় বাঙালি নেতানেত্রীদের প্রতি তাঁর প্রশ্ন ছিল, ‘আমার উচ্চারণ ঠিক আছে তো?’ বালুরঘাটের সভায় বাঙালি আবেগকে কাজে লাগাতে রাজ্যের মনীষীদের নাম উল্লেখ করে বালুরঘাটের তেভাগা আন্দোলনের কথা স্মরণ করিয়েছেন রাজনাথ সিং।

বলে রাখি, ৩০ জানুয়ারি এরাজ্যে এসেছিলেন রাজনাথ সিং৷  পরের দিন হাওড়ার ডুমুরজলা স্টেডিয়ামে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়, বৈশালী ডালমিয়ারা বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন৷ সূত্রের খবর, হাওয়ার ওই যোগদান মেলায় থাকার জন্য রাজনাথকে অনুরোধ জানায় বঙ্গ বিজেপি৷ কিন্তু তিনি ওই অনুষ্ঠানে যোগ দেননি৷

এবারের হাইভোল্টেজ বিধানসভা নির্বাচনে নবান্ন দখল করতে সর্বশক্তি দিয়ে ময়দানে নেমেছে পদ্ম শিবির। পরিবর্তন যাত্রাকে সামনে রেখে প্রচারের ঝড় তুলতে চাইছে বিজেপি। যা নিয়ে উত্তরবঙ্গে তুঙ্গে শাসক-বিরোধী কাজিয়া। বৃহস্পতিবার দক্ষিণ দিনাজপুরে শুরু হয় বিজেপির পরিবর্তনযাত্রা। কুশমণ্ডী, বুনিয়াদপুর, হরিরামপুর হয়ে কর্মসূচি শেষ হবে গঙ্গারামপুরে। শুক্রবার দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাটে সভা করেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং।  এরপর বালুরঘাট শহর থেকে পরিবর্তন যাত্রার সূচনা করেন তিনি । থানা মোড়ে শেষ হবে আজকের পরিবর্তন যাত্রা। এরপর বিকেলে বালুরঘাট বিমানবন্দর থেকে বিহারের পূর্ণিয়া বিমানবন্দরের উদ্দেশ্যে রওনা দেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।