স্টাফ রিপোর্টার, তমলুক: পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় ক্রেতা সুরক্ষা দফতরের নতুন ভবন তৈরি জন্য জায়গা পাওয়া যাচ্ছে না। সোমবার তমলুকের সবলা মেলার উদ্বোধনে এসে ক্ষোভের সুরে একথা জানালেন রাজ্যের ক্রেতা সুরক্ষা দফতরের মন্ত্রী সাধন পান্ডে।

এদিন তিনি আরও বলেন, অন্য জেলা গুলিতে ভবন তৈরি হয়ে গেলেও, পূর্ব মেদিনীপুর জেলাতে নতুন ভবন তৈরি করার জন্য মাত্র ১০ কাঠা জায়গা পাওয়া যাচ্ছে না। যা নিয়ে সবলা মেলার উদ্বোধনি মঞ্চে দাঁড়িয়ে রীতিমত ক্ষোভ প্রকাশ করেন মন্ত্রী।

সোমবার থেকে শুরু হল তমলুকের সবলা মেলা। শহরের রাখাল মেমোরিয়াল ফুটবল গ্রাউন্ডে আয়োজিত এই মেলা চলবে ৬ জানুয়ারি থেকে আগামী ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত। এদিনের সবলা মেলার উদ্বোধনি অনুষ্ঠানে ক্রেতা সুরক্ষা মন্ত্রী ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, রাজ্যের পরিবহণ, সেচ ও জল সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পরিষদের সভাধিপতি দেবব্রত দাস এবং জেলা শাসক পার্থ ঘোষ সহ জেলার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

শুধু তাই নয়, ছয় দিন ব্যাপী এই মেলায় প্রতিদিন সন্ধ্যায় থাকবে, কলকাতার খ্যাতনামা শিল্পী সমন্বয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন। এছাড়াও মেলায় থাকছে বিভিন্ন পসরার স্টল। স্টল গুলিতে থাকবে বালুচুরি শাড়ি, কাঁথা স্টিচ, বুটিক ও নানা হস্তশিল্পের কাজ। আরও থাকবে চামড়ার ব্যাগ, পোড়ামাটির ঘর সাজানোর জিনিসপত্র, কৃত্রিম অলংকার, জরির কাজ ও অন্যান্য হাতের কাজ।

উদ্বোধন করে মন্ত্রী বলেন,অন্য জেলা গুলোতে ভবন তৈরি হয়ে গেলেও পূর্ব মেদিনীপুর জেলাতে মাত্র ১০ কাঠা জায়গা পাওয়া যাচ্ছে না। স্বনির্ভর গোষ্ঠী ও স্বনিযুক্তি বিভাগ পশ্চিমবঙ্গ সরকারের উদ্যোগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির অনুপ্রেরণায় সবলা ও ক্রেতা সুরক্ষা মেলা ২০২০ শুরু হলো তমলুক শহরের রাখাল মেমোরিয়াল ফুটবল গ্রাউন্ডে। মেলা চলবে ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত। এদিন সবলা মেলা ক্রেতা সুরক্ষা মন্ত্রী ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের পরিবহণ, সেচ ও জল সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পরিষদের সভাধিপতি দেবব্রত দাস, জেলা শাসক পার্থ ঘোষ সহ প্রমুখ ব্যক্তিবর্গ। প্রতিদিন সন্ধ্যায় কলকাতার খ্যাতনামা শিল্পী সমন্বয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। মেলায় থাকছে বালুচুরি শাড়ি, কাঁথা স্টিচ, বুটিক ও নানা হস্তশিল্প,চামড়ার ব্যাগ, পোড়ামাটির ঘর সাজানোর জিনিস, কৃত্রিম অলংকার, জরির কাজ ও অন্যান্য হাতের কাজ।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও