স্টাফ রিপোর্টার, হাবড়া: কেন্দ্রের কোনও প্রকল্প থেকে বাংলার মানুষ সুবিধা পায়নি। ওরা শুধু ঝুড়ি ঝুড়ি মিথ্যা কথা বলে। কেন্দ্রীয় সরকারের আয়ুষ্মান প্রকল্প বলে বেড়িয়েছে। সেটা খায় না মাথায় দেয় তাই সাধারণ মানুষ জানে না। সোমবার হাবড়ায় স্বাস্থসাথি প্রকল্পের একটি অনুষ্ঠানে এসে ঠিক এই ভাষাতেই কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের সমালোচনা করেন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক।

হাবড়া পুরসভার উদ্যোগে দেশবন্ধুপার্কের মাঠে আয়োজিত হয় স্বাস্থ্যসাথি প্রকল্পে উপভোক্তার পরিচয় প্রদানের অনুষ্ঠান। এদিনের অনুষ্ঠানে এসে এই প্রকল্পের সুবিধার কথা হাবড়ার নাগরিকদের কাছে ব্যাখ্যা করেন খাদ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি, কেন্দ্রীয় সরকারের আয়ুষ্মান প্রকল্পের সমালোচনায় সরব হন তিনি। এদিন হাবড়ার বিধায়ক তথা রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রীর তরফে হাবড়ার প্রায় ২ হাজার ৬৭৭ জন উপভোক্তার হাতে স্বাস্থ্যসাথি প্রকল্পের কার্ড তুলে দেওয়া হয়।

এই বিষয়ে তিনি বলেন, “স্বাস্থ্যসাথি প্রকল্পের মাধ্যমে হাবড়া বিধানসভা কেন্দ্রের ৪০ হাজার পরিবার উপকৃত হবেন। এ এক অভিনব প্রকল্প। রাজ্যের যে পরিবার গুলি ২ টাকা কেজি দরে চাল পাচ্ছেন, সেই পরিবারগুলো এই প্রকল্পের আওতায় আসবে। ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত সুচিকিৎসার সুবিধা পাবেন বাংলার দরিদ্র মানুষ। তাই বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনও তুলনা হয় না, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনও বিকল্প নেই। বাংলার সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মুখ্যমন্ত্রী সকলের প্রিয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।”

এদিনের এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, হাবড়ার বিধায়ক তথা রাজ্যের খাদ্য ও সরবরাহ মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, বারাসাত লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ ডা: কাকলি ঘোষ দস্তিদার। এবং হাবড়া পুরসভার প্রাক্তন পুরবোর্ডের জন প্রতিনিধিরা।

এদিনের অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ”এক সময় এই রাজ্যে গরীব মানুষ টাকার অভাবে চিকিৎসা করাতে পারত না। ফলে হাসপাতালে গিয়ে মারা যেত। কিন্তু, বর্তমানে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার সাধারন মানুষের জন্য স্বাস্থ্যসাথি প্রকল্পের কার্ড করে দিয়েছেন। বাড়ির মায়েদের প্রতি সম্মান জানিয়েই এই কার্ডটি বাড়ির মহিলাদের নামেই করা হচ্ছে। বাড়ির যে সদস্যার নামে এই কার্ডটি থাকবে, এই কার্ডের মাধ্যমে পরিষেবা পাবেন তার স্বামী, অবিবাহিত সন্তানেরা, শশুর-শাশুড়ি, অবিবাহিত -ডিভোর্সি ননদ। এছাড়াও মেয়েদের বাবার বাড়ির বাবা-মা। এই কার্ডের মাধ্যমে প্রতিবছর পরিবারের সকল সদস্য সদস্যাদের জন্য পাঁচ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিনামূল্যে চিকিৎসা সুবিধা পাওয়া যাবে। যার সম্পূর্ণ খরচ বহন করবে রাজ্য সরকার।”

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ