নয়াদিল্লি: দেশে মাত্রাতিরিক্ত আমলাতন্ত্র চলছে। প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী পি চিদাম্বরম এমন মন্তব্য করেছেন। তাঁর এই মন্তব্যের উদ্দেশ্য নীতি আয়োগের সিইও অমিতাভ কান্তের গণতন্ত্র সম্পর্কে সাম্প্রতিক মন্তব্যের পাল্টা অভিমত প্রকাশ করা।চিদাম্বরম ট্যুইট করে জানিয়েছেন,” এক বরিষ্ঠ আমলা বিলাপ করছেন মাত্রাতিরিক্ত গণতন্ত্র রয়েছে বলে। আর মাত্রাতিরিক্ত আমলাতন্ত্র বিরাজ করছে বলে জানাচ্ছেন এক বেদনাপীরিত গণতন্ত্রবাদী।”

প্রসঙ্গত কয়েকদিন আগে নীতি আয়োগের সিইও অমিতাভ কান্ত জানিয়েছিলেন, যেহেতু ভারতে মাত্রাতিরিক্ত গণতন্ত্র রয়েছে সেহেতু সংস্কারের কাজ করা কঠিন। তিনি মনে করেন, এই দেশকে প্রতিযোগিতামূলক গড়ে তুলতে আর কিছু সংস্কার দরকার।

ওই দিন তিনি জানিয়েছিলেন কেন্দ্র এই প্রথম বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুরূহ সংস্কার করছে যেগুলির মধ্যে রয়েছে-কয়লা শ্রম ,কৃষি এবং এর পরের ধাপে রাজ্যগুলিতে সংস্কারের ঢেউ উঠবে।অমিতাভ কান্তের মতে, চিনের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় নামা সহজ নয় এইসব দুরূহ সংস্কার ছাড়া।

কিন্তু সেই দিন তাঁর গণতন্ত্র সম্পর্কে মন্তব্য ঘিরে বিতর্ক দানা বাঁধে। পরিস্থিতি সামাল দিতে পরে তিনি জানিয়েছিলেন, উনি ঠিক সেইরকম মানে করে কিছু বলেননি। যদিও সে বিতর্ক এখনো পুরোপুরি থামেনি। ফলে চিদাম্বরমকে এভাবে টুইট করে তাকে খোঁচা দিতে দেখা গেল।

এদিকে চিদাম্বরম একের পর এক টুইট করে তিনি বিজেপি শাসিত উত্তরপ্রদেশ সরকার সমালোচনা করেছেন লাভ জিহাদ নিয়ে আইন করায়। আদিত্য যোগী নেতৃত্বাধীন উত্তরপ্রদেশ সরকার নতুন আইনের অপব্যবহার করছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। পাশাপাশি চিদাম্বরম টুইট করে জানিয়েছেন,নতুন সংসদ ভবনের শিলান্যাস গণতন্ত্রের ধ্বংসাবশেষের উপর হচ্ছে বলে।‌

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।