সোনার গয়না ভারতীয় মহিলাদের নমধ্যে খুবই জনপ্রিয়। বিয়েতে সোনার গয়না মাস্ট। এছাযা পুজো বা যে কোনও শুভ অনুষ্ঠানেও সোনার গয়না পরার চল রয়েছে। কিন্তু শুধু সোনার গয়না পরে ফেললেই হয় না। রয়েছে বেশ কিছু নিয়ম।

জ্যোতিষশাস্ত্র বলে, প্রতিটি ধাতুই আমাদের শরীরে প্রভাব ফেলে। গ্রহ, রাশি, লগ্নের উপর নির্ভর করে এই ধাতুর প্রভাব। তাই নিবম মেনে সোনা পরলে তার বিশেষ প্রভাব পড়তে পারে জীবনে। শরীরের যে কোনও অংশে সোনা পরা মোটেই শুভ নয়। এমন কী সোনা থেকে ব্যক্তিজীবনে হতে পারে হাজারো সমস্যা।

বাঁ হাতে আংটি পরার আগে ভাবনা-চিন্তা করতে হবে। জ্যোতিষশাস্ত্র বলছে, বাঁ হাতের আঙুলে সোনা পরতে চাইলে তার আগে বিশিষ্ট কারও পরামর্শ নেওয়া উচিৎ। খুব প্রয়োজন না থাকলে তা না পরাই ভাল। কারও কারও ক্ষেত্রে বাঁ হাতে সোনা পরলে সমস্যা উল্টে বাড়ে, কমে না।

পাঁচ আঙুলের মধ্যে অনামিকায় আংটি পরা অত্যন্ত শুভ। জ্যোতিষশাস্ত্র বলে, নিঃসন্তান কোনও মহিলা অনামিকায় আংটি পড়লে ধীরে ধীরে তা প্রভাব ফেলতে শুরু করে। সন্তানলাভে গ্রহের কোনও বাধা থাকলে ধীরে ধীরে তা কেটে যেতে শুরু করে। বিয়েতেও অনামিকায় আংটি পরার প্রচলন আছে।
দাম্পত্য জীবনে শান্তি ধরে রাখতে তর্জনীতে সোনার আংটি পরা উচিৎ। গলায় পরা উচিৎ সোনার চেনও। তবে যাদের রাগ বেশি, ওজন বেশি তাদের সোনার গয়না না পরাই ভাল। তাতে হিতে বিপরীত হতে পারে।

কোমরবিছা পরা উচিৎ নয়। কোমরে সোনা পরলে পাচনতন্ত্রে তার ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে। পেটের সমস্যাতেও ভুগতে হবে।

সোনার নুপূর পরলে দাম্পত্য জীবনে অশান্তি হতে পারে। শরীরের জন্যও এটা হানিকর। আর সন্তানসম্ভবা মহিলাদের সোনার কিছু এড়িয়ে যাওয়াই ভাল। পরিবারের খুব আপত্তি থাকলে হালকা সোনার কিছু পরতে পারেন। সর্দি বা ঠাণ্ডা লাগার ধাত থাকলে কনিষ্ঠায় সোনা পরুন। সোনা ভেজানো জল খেলে শরীরে প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।

লাল অথবা হলুদ কাপড়ে মুড়ে সোনা রাখা সবথেকে ভাল। আর অবশ্যই কাপড়ের মুখটি বেধে রাখুন। সোনার সঙ্গে কেসর রাখতে ভুলবেন না। এভাবে সোনা রাখলে পরিবারে শ্রীবৃদ্ধি হয়।

তবে সোনা হারানো খারাপ বলে মনে করে জ্যোতিষশাস্ত্র। এতে রোগভোগ বাড়তে পারে। আবার অন্য কারও সোনা ঘরে তুলে আনলেও খরচ বাড়ে।