নয়াদিল্লি: গরম বাড়লেই করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ কমতে পারে, এমন ধারণা প্রায়শই ট্রেনে, বাসে লোকমুখে শোনা যাচ্ছে৷ কিন্তু বিশেষজ্ঞরা করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ কমা প্রসঙ্গে কী বলছেন তা জেনে নেওয়া দরকার৷ বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, গরম পড়লেই যে লেজ গুটিয়ে পালাবে মারণ করোনার জীবাণু, সে বিষয়ে এমন কোনও প্রমাণ মেলেনি৷ আপাতত সচেতনতাই করোনার সংক্রমণ এড়িয়ে চলার প্রথম ও একমাত্র পথ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা৷

দেশজুড়ে আতঙ্ক বাড়িয়েছে করোনা বাইরাস৷ ক্রমেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার খবর মিলছে৷ দেশে এনও পর্যন্ত করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ১৪০ জন৷ মহারাষ্ট্রে আক্রান্ত হওয়ার সংখ্যা সবচেয়ে বেশি৷ তারপরই রয়েছে কেরল৷ মঙ্গলবার পশ্চিমবঙ্গেও প্রথম করোনা আক্রান্ত রোগীর সন্ধান মিলেছে৷ এই মুহূর্তে বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে স্পেশাল আইসোলেশন ওয়ার্ডে রাখা হয়েছে করোনা আক্রান্ত ওই তরুণকে৷

এদিকে, করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ কমা প্রসঙ্গে নানা মহলে নানা ব্যাখ্যা শোনা যাচ্ছে৷ তবে সেই সব ব্যাখ্যায় কান না দেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা৷ করোনার সংক্রমণ রুখতে বরং আরও বেশি সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা৷ গরম বাড়লেই যে করোনার প্রকোপ কমবে সে বিষয়ে কোনও প্রমাণ বিজ্ঞানীদের কাছে নেই বলে দাবি বিশেষজ্ঞদের৷ করোনার উপসর্গ দেখা দিলে তা না লুকিয়ে ডাক্তারের কাছে যাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা৷

বাইরে বেরোলে সব সময় মুকে মাস্ক পড়ে থাকতেও বলা হচ্ছে৷ তবে এক্ষেত্রে যাঁদের সর্দি বা কাশির উপসর্গ রয়েছে তাঁদেরই বেশি করে এই মাস্ক ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে৷ বারবার স্যানিটাইজার দিয়ে হাত ধোয়ার পরামর্শও দেওয়া হচ্ছে৷ গুজবে কান না দিয়ে সচেতনভাবে পদক্ষেপ করোনা প্রতিরোধের একমাত্র উপায় বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।