বেঙ্গালুরু: কাশ্মীরে ৩০ ধারা বিলোপের এক মাস পরেও শনিবার জাতীয় সুরক্ষা উপদেষ্টা অজিত দোভাল সাফ জানিয়েছেন পাকিস্তান জম্মু ও কাশ্মীরে স্থিতিশিলতা নষ্ট করার চেষ্টা করছে। পরিসংখ্যান দিয়ে তিনি বলেন ২৩০ জন মত পাক সন্ত্রাসবাদীকে এখনও পর্যন্ত চিহ্নিত করা গেছে। যাদের মধ্যে কিছুজন অনুপ্রবেশ করেছে আর বাকিরা গ্রেফতার হয়েছে বলেই জানান তিনি।

তবে পাকিস্তানকে পরাস্ত করতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ ভারত। ভারত সরকার এও বলেছে যে দেশ কাশ্মীরিদের সুরক্ষা নিয়ে যেকোন পর্যায়ে যেতে রাজি। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “সীমান্তের কুড়ি কিলোমিটারের মধ্যে পাকিস্তানের কমিউনিকেশন টাওয়ারের হদিশ পাওয়া গেছে যেখান থেকে তারা মেসেজ পাঠানোর চেষ্টা করছে। আমরা তাদের কিছু বিবৃতি শুনতে পেয়েছি। ওরা বলছিল যে এত আপেলের গাড়ি কিভাবে যাতায়াত করছে। তোমরা কি ওদের আটকাতে পারছ না। আমরা কি তোমাদের চুড়ি পাঠাব”।

সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, “আমরা পাকিস্তানের সন্ত্রাসীদের থেকে কাশ্মীরিদের জীবন রক্ষা করতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। যদিও আমরা নিষেধাজ্ঞা জারি করেছি। সন্ত্রাস পাকিস্তানের কাছে একমাত্র অস্ত্র পরিস্থিতিকে অস্থির করে তোলার জন্য।”

দীর্ঘদিন কাশ্মীরে সময় কাটিয়ে তিনি বলেছেন, কাশ্মীরের সংখ্যাগরিষ্ঠরাই ৩৭০ ধারা বিলোপের পক্ষে কথা বলেছেন। এই সিদ্ধান্তের ফলে তাঁরা আশাবাদী যে চাকরি ক্ষেত্রে সুযোগ আরও বাড়বে। অর্থনৈতিক উন্নতি হবে। তবে শুধু দুষ্কৃতিরাই এর বিরোধিতা করছে। রাজ্যের ল্যান্ডলাইন পরিষেবা সর্বত্র চালু হয়ে গেছে। কাশ্মীরের ৯০ শতাংশ অংশই এখন বিধিনিষেধ মুক্ত।

অন্যদিকে, কাশ্মীরে রাজনৈতিক নেতাদের গৃহবন্দি করার প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন যে সন্ত্রাসবাদীরা কাশ্মীরের পরিস্থিতির সুযোগ নিতে পারে তা আটকাতেই তাদের প্রতিরোধমূলকভাবে আটক করা হয়। বাকি যে অংশ এখনও স্বাভাবিক নয় সেখানে দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে। তবে তা পুরোপুরি পাকিস্তানের উপর নির্ভর করছে। পাকিস্তান যদি টাওয়ার সিগনাল পাঠানো বন্ধ করে তবেই তা সম্ভব হবে।