স্টাফ রিপোর্টার, জলপাইগুড়ি: তালা ভেঙে এসেছিলেন তারা নীরবে৷ তারপরই চক্ষু ছানাবড়া চোরেদের৷ বাড়ির ভেতর যে কেউ নেই৷ এতো অবাধ বিচরণ ক্ষেত্র৷ তাই দেরি না করে বাড়ির খাটেই ভোর রাতে কম্বল জড়িয়ে খানিক জিরিয়ে নেওয়া৷ ঘুম ভাঙতেই গৃহস্থের ভাঁড়ার থেকে বেড টি-য়ের আয়োজন৷ আয়েশ করে পেট পুজের পর চলল হাত সাফাইয়ের কাজ৷ এ যেন চোরেদের কাজের স্বর্গরাজ্যের সন্ধান৷

শনিবার গভীর রাতে জলপাইগুড়ি শহরের বিবেকানন্দ পাড়ার ঘটনা৷ তিন মেয়ের বিয়ে হয়ে যাওয়ায় বাড়িতে একাই থাকেন বাড়ির মালিক ইলা সরকার৷ সম্প্রতি বাড়িতে তালে মেরে তিনি ছুটি কাটাচ্ছেন এর মেয়ের বাড়ি৷ খবর পৌঁছে যায় হাত সাফাইয়ের শিল্পীদের কাছে৷ তাই সবুর না করেই উইকেন্ডেই তারা সটান হাজির ইলা দেবীর বন্ধ বাড়িতে৷

আরও পড়ুন: স্টলে স্টলে ৪০ রকমের পিঠে পুলি, শুরু উৎসব

রাতেই সন্তর্পণে বাড়ির সদরের তালা ভেঙে তারা ঢুকে পড়ে অন্দরে৷ তারপর যেন স্বপ্নের বিচরণ ভূমি৷ রাতের বেলা রোজই প্রায় জেগে জেগে কাজ৷ আর এখানে তো শয্যা তৈরি৷ তাই মহাসুখে রাত কাবার এক ঘুমে৷ এখানেই থেমে থাকা নয়৷ ঘুম থেকে উঠে গা ম্যাজ ম্যাজ করতেই চায়ের পেয়ালায় চুমুক৷ আহা কেয়া বাত!

এরপর ভোরে বাড়ির আলমারি ভেঙে সব সাবার৷ শোকেস সব লণ্ডভণ্ড৷ তছনছ করা হয়েছে সব কিছু৷ বাড়ির দরজা ভাঙা দেখে সন্দেহ হওয়ায় খোঁজখবর শুরু করেন প্রতিবেশীরা৷ বাড়িতে ঢুকতেই আবাক তারা! খাটের উপর কম্বল বিচানো৷ পড়ে রয়েছে চায়ের কাপ৷ চোরেদের কীর্তি ও চুরির খবর প্রতিবেশীরাই পৌঁছে দেন ইলা সরকারের ছোট মেয়ের কাছে৷ তদন্তে জলপাইগুড়ি থানার পুলিশ৷