স্টাফ রিপোর্টার, বর্ধমান: দক্ষিণ কলকাতার অভিজাত জিডি বিড়লা স্কুলে চার বছরের শিশুকে যৌন নির্যাতনের বিরুদ্ধে সরব হলেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়৷ নাবালিকার ওপর যৌন নির্যাতনের ঘটনায় কঠোরতম শাস্তি দেওয়া হবে জানালেন তিনি৷ শুক্রবার বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৬তম সমাবর্তন উৎসবে যোগ দিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘‘ছাত্রীর উপর যৌন হেনস্থার ঘটনা কখনই মেনে নেওয়া হবে না৷ অভিযুক্তরা অবশ্যই সাজা পাবে৷’’

সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে উচ্চ-শিক্ষামন্ত্রী জানান, বেসরকারি ওই ইংরাজি মাধ্যম স্কুলে ৪ বছরের একটি নাবালিকার শ্লীলতাহানি হয়েছে৷ এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত একজন শিক্ষক বলে তিনি অভিভাবকদের কাছে থেকে অভিযোগ পেয়েছেন৷ এটি একটি বর্বরোচিত ঘটনা, মর্মান্তিক ঘটনা৷ প্রতিবাদ বা নিন্দা করার মত কোনও তাঁর ভাষা নেই৷ এই ঘটনা যিনিই ঘটিয়ে থাকুন তিনি চান তার কঠোরতম শাস্তি হোক৷

পার্থবাবু বলেন, এধরণের ঘটনায় যাদের কামনা লিপ্সা আছে, তারা যেন শিক্ষা জগতে ঠাঁই না পায় তা দেখার জন্য উচ্চশিক্ষা তথা শিক্ষাবোর্ডকে তিনি এদিনই নির্দেশ দিয়েছেন৷ বোর্ডকে সমস্ত খবর নিতে বলা হয়েছে৷ তিনি বলেন, সরকারি স্কুল না হলেও এই ঘটনায় তাঁরা তাঁদের দায়িত্ব এড়িয়ে যেতে পারেন না৷

তিনি জানান, তিনি জেনেছেন এই স্কুলে তিন বছর আগেও একই ঘটনা ঘটেছে৷ অভিভাবকরা নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগ করেছেন৷ শুধু এই স্কুলই নয়, সব স্কুলেই নিরাপত্তার দায়িত্ব যেন থাকে তা গুরুত্ব দিয়ে দেখা হবে৷ পার্থবাবু বলেন, এই ঘটনায় প্রশাসনিক সমস্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে৷ রাজ্য সরকার নির্যাতিতা ওই পরিবারের পাশে আছে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।