ওয়াশিংটন: মার্কিন সাম্রাজ্যের অধিপতি হিসেবে ঘোষিত হল বাইডেনের নাম। ৭৭ বছর বয়সী বিদেশনীতির দক্ষ জো বাইডেনের কাছে হোয়াইট হাউস নতুন কিছু না। এর আগে তিনি প্রাক্তন ভাইস প্রেসিডেন্ট ছিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের।

বারাক ওবামা প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন মার্কিন বিদেশনীতির স্তম্ভ হিসেবেই বাইডেন সরকারের অভিমুখ তৈরি করতেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মসনদে যে সরকার বসে তাকে ঘরের থেকে বাইরে বেশি নজর রাখতে হয়, এটাই চালু প্রবাদ।

ওবামা মন্ত্রিসভার দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি বাইডেনের আছে সরকারের অভ্যন্তরে আমলাতন্ত্র কে পরিচালনা করার অভিজ্ঞতা। যে আমলাতন্ত্রের সম্পূর্ণ বিরাগভাজন হয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। রিপাবলিকান নেতা হিসেবেও ধনকুবের ট্রাম্প দলেরই অভ্যন্তরে রোষের শিকার।

বিদেশনীতিতে ‘দায়িত্বজ্ঞান হীন’ অবস্থানের কারণে ট্রাম্পের বিরুদ্ধেই হোয়াইট হাউসের সব আমলা সরব। করোনাভাইরাস সংক্রমণ রুখতে প্রথম দিকে ঢিলে দেওয়া, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সঙ্গে দ্বন্দ্বের জেরে প্রবল সমালোচিত তিনি। পরিস্থিতি এমন যে মার্কিন শীর্ষ আমলারা একযোগে বিবৃতি দিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তাঁদের প্রচ্ছন্ন সমর্থন ছিল ডেমোক্র্যাট প্রার্থী বাইডেন।

জো বাইডেন তীব্র আলোচিত হন ১৯৯০ সালে প্রথম পারস্য উপসাগরীয় যুদ্ধের সময়। ততকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট রিপাবলিকান নেতা জর্জ এইচ ডাব্লিউ বুশ সেনা পাঠান।

ইরাকের প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেনের নির্দেশে উপসাগরীয় দেশ কুয়েতে আগ্রাসন চালায় ইরাকি সেনা। কুয়েত দখল করে ইরাক। এর পরেই শুরু হয় ইরাক বনাম মার্কিন সেনা নেতৃত্বাধীন আরব দেশগুলির সংঘর্ষ। প্রথম উপসাগরীয় যুদ্ধ চলে ১৯৯১ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। পরে ইরাক সেনা হটে যায়।

প্রেসিডেন্ট বুশের নেতৃত্বে উপসাগরীয় যুদ্ধে মার্কিন সেনা পাঠানোর বিরোধিতা করেছিলেন ডেমোক্র্যাট সেনেটর জো বাইডেন। তাঁর অবস্থান আন্তর্জাতিক মহলেও আলোড়ন তৈরি করে।

সেই বাইডেন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সময়ে হোয়াইট হাউসের মন্ত্রণাকক্ষের প্রধান মন্ত্রণাদাতাদের একজন। বহু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে ওবামাকে সাহায্য করেছেন বাইডেন। তাঁর কাছে হোয়াইট হাউসের অন্দরমহল নতুন করে চেনার কিছু নেই।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।