তিমিরকান্তি পতি, বাঁকুড়া: ‘করোনা’ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সারা দেশজুড়ে ‘লক ডাউন’ চলছে। কোনও ধরণের যাত্রীবাহি যানবাহন রাস্তায় নামেনি। এই পরিস্থিতিতে চরম সমস্যায় পড়েছিলেন বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে কর্মরত চিকিৎসক, নার্সিং স্টাফ থেকে অন্যান্য কর্মীরা। জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সঠিক সময়ে হাসপাতালে পৌঁছে পরিষেবা দিতে চরম অসুবিধার মধ্যে পড়তে হচ্ছিল তাদের।

এই অবস্থায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের আবেদনে সাড়া দিয়ে চিকিৎসক, নার্সিং স্টাফ ও কর্মীদের যাতায়তের জন্য দক্ষিণবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহন সংস্থার একটি বাসের ব্যবস্থা করল রাজ্য সরকার। এদিন সন্ধ্যায় ওই বাসটি পৌঁছে যায় হাসপাতালে। আগামী দিনে আরও দু’টি বাস হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে।

এদিন এই খবর জানিয়ে বাঁকুড়া জেলা পরিষদের ‘মেন্টর’ অরুপ চক্রবর্তী বলেন, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাদের এই অসুবিধার কথা আমাকে জানিয়েছিলেন। বিষয়টি পরিবহন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নজরে আনার মাত্র ১২ ঘন্টার মধ্যে তিনি সরকারি বাসের ব্যবস্থা করলেন।

বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের অধ্যক্ষ পার্থ প্রতিম প্রধান এবিষয়ে বলেন, লকডাউন পরিস্থিতিতে আমাদের চিকিৎসক, নার্সিং স্টাফ ও কর্মীদের যাতায়াতের সমস্যার কথা অরুপ চক্রবর্তী এবং পুরপ্রধান মহাপ্রসাদ সেনগুপ্তকে জানাই। তারপরেই খুব দ্রুততার সঙ্গে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের হাতে এই বাস তুলে দেওয়া হলো। বর্তমান পরিস্থিতিতে চিকিৎসক ও কর্মীদের যাতায়াতের কাজে এই বাস ব্যবহার করা হলেও আগামী দিনে হাসপাতালের নিজস্ব কাজে এই বাসটি ব্যবহার করা হবে বলে তিনি জানান।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.