কলকাতা: মে মাসের শুরুর দিকে দলের স্প্যানিশ সদস্যরা একজোট হয়ে দেশে ফিরে গেলেও কোভিড১৯-এর কড়াল গ্রাস এখনও ভারতেই আটকে রেখেছে ইস্টবেঙ্গলের ফিজিক্যাল ট্রেনার কার্লোস নোদার পেরেজ এবং দুই ফুটবলার জনি অ্যাকোস্টা এবং কাশিম আইদারাকে। এই তিনজনের দেশে ফেরার বিষয়টি ছিল ক্লাবের সদ্য প্রাক্তন হওয়া ইনভেস্টর গ্রুপ কোয়েসের অধীনে। কিন্তু নির্দিষ্ট সময়ের একমাস আগেই রণে ভঙ্গ দিয়েছে তারা। পাশাপাশি করোনা ভাইরাসের গেরোয় ফিজিক্যাল ট্রেনার-সহ ইস্টবেঙ্গলের দুই ফুটবলারের দেশে ফেরার বিষয়টি এখনও নিষ্পত্তি হয়নি।

তবে ১১ জুন প্রাথমিকভাবে ক্লাবের তরফ থেকে প্রায় চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছিল তিনজনের দেশে ফেরার বিষয়টি। এয়ার ইন্ডিয়ার ‘বন্দে ভারত’ বিমান পরিষেবার মাধ্যমে তিন বিদেশিকে দেশে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা পাকা করে ফেলেছিল ক্লাব। কিন্তু শেষ মুহূর্তে এসে তা বাতিল হয়ে গেল। পরিবর্তে ১৩ এবং ১৮ জুন যথাক্রমে কাশিম ও নোদারের জন্য বিমানের টিকিটের ব্যবস্থা করা হয়েছে। কিন্তু কোস্টারিকান বিশ্বকাপার জনি অ্যাকোস্টার দেশে ফেরার বিষয়টি ঝুলেই রইল। যা নিয়ে রীতিমতো ক্ষুব্ধ ডিফেন্ডার ফুটবলারটি।

ক্লাব থেকে একজন এজেন্টের মাধ্যমে তিন বিদেশির প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পর্যটন বিভাগের দফতরে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয়। শেষমেষ ১৩ জুন কাশিমের দেশে ফেরার ব্যবস্থা হয়েছে। ওইদিন কলকাতা থেকে বিমানে দিল্লি উড়ে যাবেন মিডফিল্ডার। দিল্লিতে রাত কাটিয়ে পরদিন অর্থাৎ ১৪ জুন লন্ডন যাওয়ার বিমান ধরবেন তিনি। অন্যদিকে ১৮ জুন কলকাতা থেকে মুম্বই এরপর ১৯ জুন মুম্বই থেকে ফ্র্যাঙ্কফুর্ট পাড়ি দেবেন নোদার। ফ্র্যাঙ্কফুর্ট থেকে ফের মাদ্রিদ যাওয়ার বিমান ধরতে হবে ফিজিক্যাল ট্রেনারকে।

কিন্তু সমস্যায় পড়েছেন জনি অ্যাকোস্টা। ভারত থেকে কোস্টারিকার সরাসরি বিমান নেই। তাই প্রথমে মনে করা হয়েছিল নোদারের সঙ্গেই তাঁকে একই বিমানে মুম্বই পাঠানোর ব্যবস্থা ওরা হবে। মুম্বই থেকে ওয়াশিংটন পৌঁছবেন তিনি। এ পর্যন্ত সব ঠিক ছিল। কিন্তু আমেরিকা থেকে কোস্টারিকা যাওয়ার কোনও বিমান ওই সময় মিলছে না। পরিস্থিতি এতটাই জটিল যে মার্কিন মুলুকে দিনকয়েক অপেক্ষা করাটাও প্রবল ঝুঁকির কাজ হয়ে দাঁড়াবে। স্বাভাবিকভাবেই দীর্ঘায়িত হল অ্যাকোস্টার দেশে ফেরার বিষয়টি।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ