নয়াদিল্লি: প্রজাতন্ত্র দিবসে ট্রাক্টর মিছিল ঘিরে তুমুল অশান্তির জেরে আগামী ১ ফেব্রুয়ারি বাজেট অধিবেশনের দিন সংসদ ভবন অভিযান বাতিল বলে ঘোষণা কৃষক সংগঠনের। প্রজাতন্ত্র দিবসে লালকেল্লা-সহ দিল্লির বিভিন্ন জায়গায় অশান্তির জেরে এমনিতেই কৃষক নেতাদের মধ্যে মতানৈক্য তৈরি হয়েছে। আন্দোলনের যৌক্তিকতা নিয়েই এবার প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এই আবহে এবার প্রস্তাবিত সংসদ ভবন অভিযান বাতিল করলেন কৃষক নেতারা।

প্রজাতন্ত্র দিবসে আন্দোলনের নামে কার্যত তাণ্ডব চলেছে দিল্লিতে। কৃষক সংগঠনগুলির মধ্যেই আন্দোলনের হিংসাত্মক দিক নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের নামে এ তাণ্ডবের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন একাধিক কৃষক নেতা।

এই আবহেই আগামী ১ ফেব্রুয়ারি সংসদ অভিযান বাতিল ঘোষণা করেছেন স্বরাজ ইন্ডিয়ার প্রধান যোগেন্দ্র যাদব। ইতিমধ্যেই প্রজাতন্ত্র দিবসে লালকেল্লায় অশান্তি নিয়ে তিনি নিন্দা করেছেন। তাঁর কথায়, ‘‘মাথা হেঁট হয়ে যাচ্ছে। কিষাণ মোর্চার তরফে গোটা দেশের কাছে ক্ষমা চাইছি। আগামী ১ ফেব্রুয়ারি সংসদ অভিযান বন্ধ রাখা হচ্ছে।’’

অভিযোগ, প্রজাতন্ত্র দিবসে দিল্লি পুলিশের দেওয়া নির্ধারিত রুট ভেঙে অন্য রাস্তা দিয়ে দিয়ে শান্তি-শৃঙ্খলা ভঙ্গ করেছেন কৃষকরা। দিল্লি হিংসায় তাই সমান ভাবে জড়িত কৃষক নেতারাও, এমনই দাবি দিল্লি পুলিশ কমিশনার এস এন শ্রীবাস্তবের। দিল্লির পুলিশ কমিশনার জানিয়েছেন, ট্রাক্টর মিছিল হওয়ার কথা ছিল বেলা ১২ টা থেকে বিকেল ৫টার মধ্যে।

কিন্তু দিল্লি পুলিশের বেঁধে দেওয়া সময় মেনে চলেননি কৃষক নেতারা। দিল্লি পুলিশের দেওয়া শর্ত মানার কথা মুখে জানালেও, তা কাজে করে দেখাননি তাঁরা। কৃষক নেতাদের মধ্যে সতনাম সিং, দর্শন পাল উস্কানিমূলক বক্তব্য রেখেছেন বিক্ষোভকারী কৃষকদের সামনে বলে ভিডিও ফুটেজ পাওয়া গিয়েছে।

জানা গিয়েছে প্রজাতন্ত্র দিবসের ঘটনায় ২২ জনের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। পুলিশের রিপোর্টে বলা হয়েছে, বিদ্রোহী কৃষকরা ২৪ নম্বর জাতীয় সড়ক ধরে এগিয়ে যায় এবং ব্যারিকেড ভেঙে ফেলে৷ এই বিক্ষোভে প্রায় ৪০০ জন পুলিশকর্মী আহত হয়েছেন বলে খবর।

কৃষকদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, পুলিশের কাছ থেকে কাঁদানে গ্যাস, কমপক্ষে ২০টি মিরচি বোমা চুরি করে আন্দোলনরত কৃষকরা৷ এমনকী ২৬ জানুয়ারি নির্দিষ্ট সময়ের আগেই কৃষকরা ট্রাক্টর ব়্যালি শুরু করেছিলেন বলেও এফআইআর-এ উল্লেখ করা হয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।