নয়াদিল্লি: দেশে করোনা ভাইরাসের গ্রাফ ঊর্ধ্বমুখী হওয়ায় একাধিক রাজ্য ফের নতুন করে লকডাউনের পথে হেঁটেছে। সংক্রমণ রুখতে জমায়েত হয় যে সমস্ত জায়গাগুলি তা বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে সাম্প্রতিক সময়ে। পাশাপাশি অতিমারি পরিস্থিতিতে ছাত্র এবং অভিভাবকদের স্বাস্থ্যের কথা চিন্তা করে বন্ধ করা হয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিও। একাধিক নিচু শ্রেণীর পরীক্ষা বাতিল করার পাশাপাশি স্থগিত করা হয়েছে বোর্ডের মতো পরীক্ষা। তবে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে পরীক্ষা স্থগিত রাখলেও অনেক বিশ্ববিদ্যালয় অনলাইন মাধ্যমে প্রবেশিকা পরীক্ষা এবং সেমিস্টার আয়োজনের সময়সূচি প্রকাশ করছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতে উচ্চশিক্ষার এবং চাকরি ক্ষেত্রে যাতে বাঁধার সম্মুখীন হতে না হয়, তার জন্য এই পদক্ষেপ বলে জানানো হয়েছে অনেক প্রতিষ্ঠানের তরফে। তবে সম্প্রতি উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে নয়া সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন।

চলতি সপ্তাহের সোমবার বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন বর্তমান পরিস্থিতির কারণে ক্যাম্পাসগুলিতে জমায়েত বন্ধ করার নির্দেশ জানিয়েছেন। এর পাশাপাশি ২০২১ সালের সমস্ত অফলাইন পরীক্ষা বাতিল করার কথাও জানানো জয়েছে কমিশন তরফে। অন্যদিকে তারা আরও জানিয়েছেন, এই মহামারীর সময়ে যে সকল শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং বিশ্ববিদ্যালয় কর্মী কোভিড যোদ্ধা হিসেবে কাজ করে চলেছেন তাদের প্রতিষ্ঠানের তরফে ত্রাণ সরবরাহ করার কথাও জানানো হয়েছে।

ইউজিসি জমায়েত বন্ধ, অফলাইন পরীক্ষা বাতিল এবং ত্রাণের বিষয়ে একটি চিঠি দেশের সমস্ত কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের দফতরে পাঠানো হয়েছে। কমিশনের চিঠিতে বলা হয়েছে, কোভিড-১৯ এর পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে সমস্ত উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিকে জমায়েত বন্ধ রাখতে হবে এবং ২০২১ সালের সমস্ত অফলাইন পরীক্ষা বাতিল করতে হবে। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের যে সকল শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং কর্মী করোনা যোদ্ধা হিসেবে কাজ করছে তাদের পর্যাপ্ত সামগ্রীর জোগান দিতে হবে প্রতিষ্ঠানকে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে চিঠিতে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করে বলা হয়েছে, আগামী দিনে আইচআইই স্থানীয় শর্তাবলী মূল্যায়ন করবার পরে যদি সমস্ত কোভিড প্রটোকল মেনে প্রস্তুত হওয়া যায়, তবে শিক্ষা মন্ত্রক এবং ইউজিসি অলাইন পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

 

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.