স্টাফ রিপোর্টার, মুর্শিদাবাদ: মৃত্যুর সঙ্গে টানা কয়েক ঘণ্টার লড়াই শেষে হার মানল দু’খুদে পড়ুয়া৷ সম্পর্কে তারা দুই বোন৷ তৃতীয় শ্রেণির বছর আটের পূর্ণিমা মণ্ডল ও সাথী মণ্ডল৷ পুকুরের পদ্ম ফুলের টানে জলে নেমে পা হড়কে তলিয়ে যায় একই পরিবারের দুই শিশু কন্যা৷ পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে কানাপুকুর হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে দীর্ঘক্ষণ চিকিৎসার পরে মৃত্যু হল ওই দুই বোনের৷ এদিনের এই দুর্ঘটনায় মুর্শিদাবাদের নতুন হাবাসপুর বিহাত সাঁকো এলাকায় নিস্তব্ধ তৈরি হয়েছে৷

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রানিতলা থানার বালিগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েতের খোলসা মারী এলাকার বাসিন্দা সবজি বিক্রেতা দুই ভাই সুজিত মণ্ডল ও সহদেব মণ্ডলের দুই কন্যা পূর্ণিমা মণ্ডল এবং সাথি মণ্ডল৷ স্থানীয় মানিকডাঙা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্রী ওই দুই বোন প্রতিবেশী গ্রাম ভগবানগোলা থানা এলাকার নতুন হাবাসপুর বিহাত সাঁকো এলাকার একটি পুকুরে পদ্ম ফুল তুলতে জলে নামে । কিন্তু পুকুরে গভীর জল থাকাই পদ্মের কাছা কাছি পৌঁছানোর আগেই তারা তলিয়ে যাই বলে অনুমান এলাকা বাসীর। ওই দুই শিশু কে ডুবতে দেখে নদীর পাড়ে দাঁড়িয়ে থাকা আরেক খুদে অনামিকা মণ্ডল চিৎকার শুরু করে দেয় । এতেই প্রতিবেশীরা পুকুর পাড়ে জোড় হন।

জলে নেমে শিশু কন্যাদের উদ্ধার করে স্থানীয় কানাপুকুর হাসপাতালে নিয়ে যান। শুরু হয় চিকিৎসা। পরে তাদের পরিবারের লোকেদের জানিয়ে শিশুর মৃত্যু হয়েছে ওই দুই বোনের।একই পরিবারে এই ভাবে দুই কন্যার মৃত্যুতে ভেঙে পড়েছেন খোলসামারী মণ্ডল পরিবার।খবর চাউর হতেই এলাকাই শোকের ছায়া নেমে আসে।রানীতালা থানার পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য লালবাগ মহকুমা হাসপাতালে পাঠাই । এদিন মহকুমা হাসপাতালের মর্গের সামনে দাঁড়িয়ে মৃত সাথির বাবা সহদেব মণ্ডল নিজেকে কোনও রকমে সামলিয়ে নিয়ে বলেন, “পদ্মের লোভ ই দুই বোনের জীবন ওই ভাবে কেড়ে নিল৷”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।