উত্তর ২৪ পরগনা : প্রার্থী পদে নাম নেই । তাই জেলায় জেলায় তৃণমূলের (TMC) অন্তর্দলীয় কোন্দল ভোটের  মুখে চরমে উঠছে। এর মধ্যে আমডাঙার (Amdanga) বিধায়ক রফিকুল রহমান (Rafikul Rahaman)-এর নেতৃত্বে ক্ষোভের প্রকাশ সবচেয়ে বেশি। রফিকুল রহমানের বক্তব্য, “প্র্রার্থী বদল না হলে তৃণমূলের বহিরাগত প্রার্থিকে ভোট দেওয়া হবে না।” এদিকে এই ঘটনার প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) বলেছিরেন, ওরা খেলা হবে স্লোগান দিয়েছে। খেলাটা এতো দ্রুত শুরু হয়ে গেলো? এই জেলার তৃণমূল সভাপতি জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক (Jyotipriya Mallick) বলরছেন, “প্রার্থীদের নাম ঠিক করেছে দলের উচ্চ নেতৃত্ব। এটা মানতেই হবে।করোও অভিমান থাকতে পারে। সেটা আলোচনা করে মেটানো হবে।” আমডাঙ্গা বিধানসভা কেন্দ্রে এবারের প্রার্থী মোর্তাজা হোসেন।তাঁকে মানতে চাইছেন না রফিকুল ও তাঁর সঙ্গীরা।

আমডাঙায় তৃণমূলের একটা বিরাট অংশের তৃণমূল নেতা-কর্মীদের নিয়ে বৈঠকে বসেছেন রফিকুল রহমান। আমডাঙার তৃণমূল কর্মী ও সমর্থকরা বলছে, বহিরাগত প্রার্থীকে তারা মেনে নেবে না। প্রয়োজনে তারা ভোট বয়কট করবে।

এদিকে আমডাঙ্গা কেন্দ্রের বর্তমান বিধায়ক রফিকুল রহমানের অভিযোগ, উত্তর ২৪ পরগনা জেলা তৃণমূল সভাপতি জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের বিরুদ্ধে । রফিকুল রহমান বলেছেন, “জেলা সভাপতি ফোন করলে ধরেন না। ৬ মাস ধরে তাঁকে ফোন করছি। তিনি ফোন ধরেননি। আজ বৈঠক হবে, দলের সব স্তরের নেতা ও কর্মীদের ডেকেছি।”

গত ২০১৬-র বিধানসভা নির্বাচনে আমডাঙার তৃণমূল বিধায়ক ৮৭ হাজার ১৬২ ভোট পেয়ে সিপিএম-এর আব্দুস সাত্তারকে পরাজিত করেন রফিকুল রহমান। এই কেন্দ্রে কেন রফিকুল রহমানকে প্রার্থী করা হলো না? এই প্রশ্ন তুলছেন জেলার তৃণমূল নেতা ও কর্মীদরর একটা বড় অংশ।

একেই দল ভেঙে বিজেপিতে তৃণমূলের বহু নেতা, মন্ত্রী, কর্মীরা চলে গেছেন। এর ফলে দলে একটা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়েছে। যদিও সেটা মঞ্চে না তৃণমূল। তার ওপর ২৮জন বিদায়ী বিধায়ককে এবার প্রার্থী করা হয়নি। এই বাতিলের তালিকায় ৫জন মন্ত্রীও রয়েছেন। তাই এখন যারা প্রার্থী হতে পারেননি তাঁরা কেউ প্রকাশ্যে আবার কেউ আড়াল থেকে তৃণমূলরর বিরুদ্ধে বিরোধিতার চুরিতে শান দিচ্ছেন। গোদের ওপর বিষফোঁড়ার মতন এই পরিস্থিতি কী ভাবে তৃণমূল নেতৃত্ব সামলে সেটাই এখন দেখার।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।