স্টাফ রিপোর্টার, বর্ধমান: গোটা দেশের সঙ্গে পূর্ব বর্ধমান জেলাতেও শুরু হয়ে গেল কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনের ড্রাই রান। এদিন পূর্ব বর্ধমান জেলায় প্রথম দফায় তিনটি কেন্দ্রে শুরু হল এই ড্রাই রান।

শুক্রবার পূর্ব বর্ধমান জেলার ভাতার হাসপাতাল, বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং আলমগঞ্জের ঝুরঝুরেপুল এলাকায় বর্ধমান পৌর স্বাস্থ্যকেন্দ্রে শুরু হল এই ড্রাই রান। এই তিনটি কেন্দ্রেই সমগ্র পরিকাঠামো খতিয়ে দেখেন পূর্ব বর্ধমান জেলাশাসক মহম্মদ এনাউর রহমান, জেলা মুখ্য স্বাস্থ্যাধিকারিক প্রণব রায় প্রমুখরা।

জেলা স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রথম দফায় জেলার ৪৫টি কেন্দ্রে মোট ৩১ হাজার স্বাস্থ্যকর্মীদের এই ভ‌্যাকসিন দেওয়া হবে। জেলা স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, প্রাথমিক ভাবে এই তিন কেন্দ্রের জন্য এদিন মোট ৭৫ জন স্বাস্থ্য কর্মীকে ভ্যাকসিনের ড্রাই রান দিতে বেছে নেওয়া হয়েছে। জেলা মুখ্যস্বাস্থ্য আধিকারিক প্রণব রায় জানিয়েছেন, চুড়ান্ত পর্যায়ের কোভিড ভ্যাকিসিনের আগে সমগ্রিক পরিস্থিতি বুঝে নিতেই এই ড্রাই রান।

উল্লেখ্য, পূর্ব বর্ধমান জেলায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমশই কমছে। শুক্রবার পর্যন্ত গোটা জেলায় করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ১৭৬ জনের। গোটা জেলায় এখনও পর্যন্ত করোনা আক্রান্তের সংখ্যা শুক্রবার পর্যন্ত ছিল ১১৮৯৯ জন। শুধুমাত্র শুক্রবারই করোনা আক্রান্তের সংখ‌্যা গোটা জেলায় মাত্র ৩১ জন। স্বাভাবিকভাবেই জেলায় কোভিড ভ্যাকসিনের ড্রাই রান এদিন থেকে শুরু হয়ে যাওয়ায় গোটা জেলার মানুষই তাকিয়ে রয়েছেন কবে সাধারণ মানুষের হাতে পৌঁছাবে এই ভ্যাকসিন।

অন্যদিকে বাংলার অন্যান্য জেলার পাশাপাশি পূর্ব মেদিনীপুরের হলদিয়াতেও মারন রোগ “কোভিড ১৯” এর ভ্যাকসিন ড্রাই রান দেওয়া শুরু হল৷ এদিন হলদিয়া পুরসভার ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে তেঁতুলবেড়িয়া উপস্বাস্থ্যকেন্দ্রে। স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রথমেই করোনাভাইরাস ভ্যাকসিনের ট্রায়াল রান দেওয়ার কাজ শুরু হল।

প্রসঙ্গত, বাংলায় করোনার প্রথম ভ্যাকসিন রাজ্যের নগর উন্নয়নমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমকে দিয়েই শুরু হয়েছিল। আর শিল্পশহর হলদিয়া পুরসভার উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রে করোনা ভ্যাকসিন ট্রায়াল’ হিসেবে ২৫ জনকে এই টিকা দেওয়া শুরু হল। পুরসভার চেয়ারম্যান ইন কাউন্সিল স্বাস্থ্য বিভাগের দায়িত্বে রয়েছেন আজিজুর রহমান বলেন, “রাজ্য এবং কেন্দ্রে সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রথমে স্বাস্থ্যকর্মীদের উপর এই করোনা ভ্যাকসিনের ট্রায়াল শুরু হল।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.