ফাইল ছবি

স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: ২০১৯-এর বিধানসভা ভোটে ২৫০ আসন নিয়ে জিতে ফিরবে তৃণমূল কংগ্রেস৷ ২১শের মঞ্চে দাবি যুব তৃণমূল সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের৷

লোকসভায় ভরাডুবি৷ তাতে কী? ডরাচ্ছেন না তৃণমূল নেতৃত্ব৷ উলটে দাবি করছেন ২০১৬-র তুলনায় আরও বেশি আসন নিয়ে ভোটে জিতবেন৷ এদিন তাঁর বক্তব্যে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘‘মারবে যত গড়ব তত৷’’ এতেই উজ্জীবিত সমাবেশে আসা তৃণমূল কর্মী, সমর্থকরা৷

ডায়মন্ডহারবারের সাংসদের সংযোজন, ‘‘ব্যালটে ভোট ফিরিয়ে আনতে হবে৷ ইভিএমে ভোট হলে বিজেপির ফল একরকম হয়, ব্যালটে ভোট হলেই বিজেপির বিজয়রথ ফলটে পড়ে৷’’ অভিষেক প্রশ্ন তোলেন, ‘কেন এমন হয়?’ তাঁর জয় নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল বিরোধীরা৷ এদিন চ্যালেঞ্জের সুরে সাংসদ বলেন, ‘‘প্রমাণ করতে পারলে মেনে নেব বেআইনি পথে জিতেছি৷’’

উন্নয়নের নিরিখে রাজ্যের ছাত্র যুবদের মানুষের কাছে পৌঁছনোর বার্তা দেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়৷ কেন্দ্রীয় বিভিন্ন প্রকল্পের সঙ্গে মমতা সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পকে তুলনা করে মানুষের কাছে যাওয়ার বার্তা দেন৷ রাজনৈতিক মহলের বিশ্লেষণ, তৃণমূলের ঘাড়ে নিশ্বাস ফেলছে বিজেপি৷ লোকসভা ভোটের নিরিখে রাজ্যের প্রায় ১২৯টি বিধানসভায় এগিয়ে গেরুয়া শিবির৷ জোড়াফুল ছেড়ে অনেকেই চলে যাচ্ছেন পদ্ম শিবিরে৷ এই প্রেক্ষাপটে দলের নিচু তলার কর্মী, নেতাদের মনোবল অটুট রাখতে অভিষেক আড়াশো আসন জয়ের দাবি তুলছেন বলে মনে করা হচ্ছে৷

এদিনের সভামঞ্চে অবশ্য মুখ ফসকান যুব তৃণমূল সভাপতি৷ নানা কতার মাঝেই তিনি বলে ফেলেন, ‘‘তোমাদের রাজনীতি কর্মসংস্থান নিয়ে, আমাদের রাজনীতি কবর…’৷ পরক্ষণেই যা সামলে নিন তৃণমূল সাংসদ৷ আক্রমণ শানান বিজেপিকে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।