প্রতীতি ঘোষ, বারাকপুর : দলে চূড়ান্ত অপমানিত হয়ে রাজনীতি ছাড়ার (left politics) সিদ্ধান্ত নিলেন যুব তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) সাধারন সম্পাদক সম্রাট তপাদার। রবিবার বারাকপুরের (Barrackpur) নাপিত পাড়ায় তৃণমূলের কর্মীসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে হঠাৎ কেঁদে ফেলেন প্রদেশ যুব তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারন সম্পাদক (General Secretary) সম্রাট তপাদার।

সেখানে তিনি বলেন, “দলের জন্য যতটা পেরেছি করেছি। আমৃত্যু আমি তৃণমূলের সমর্থক হিসেবে থাকব। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভোট দেব। অভিষেক বন্দোপাধ্যায় আমার নেতা থাকবে।”

তিনি আরও বলেন, “তবে দলে থেকে এই অবজ্ঞা অপমান সহ্য হচ্ছে না। লকডাউনের সময় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে কাজ করেছি। তৃণমূল যুব শক্তি শাখার তৃণমূল কংগ্রেস দলের পর্যবেক্ষক হিসেবে নদিয়া, বীরভূম, মুর্শিদাবাদের দ্বায়িত্ব সামলেছেন তিনি। দলের নির্দেশে বারংবার সংগঠনের কাজে ছুটে গেছেন তিনি । কর্মীসভা করেছেন কয়েকশো। সম্রাট তপাদার দলে টিকিট (Assembly election) পাবেন এরকম প্রত্যাশা ছিল তাঁর অনুগামীদের। তবে দল তাঁকে টিকিট দেয়নি।”

বারাকপুরের নাপিত পাড়ার বাসিন্দা সম্রাট তপাদার প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের হাত ধরে রাজনীতিতে এসেছিলেন। গত ২৮ বছর তিনি রাজনীতি করেছেন। প্রথমে জাতীয় কংগ্রেসের নেতা ছিলেন, পরে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করেন । তবে উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় তৃণমূল নেতৃত্বের কাছে ক্রমশ কোণঠাসা হয়ে পড়ছিলেন সম্রাট।

সোমবার হঠাৎ কর্মীসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে সম্রাট তপাদার দলের কর্মীদের সামনে ঘোষণা করেন, “আমি রাজনীতি ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। দলের মধ্যে থেকে যে অবজ্ঞা অপমান আমাকে সহ্য করতে হচ্ছে তা আর সহ্য হচ্ছে না। বাড়িতে পরিবারকেও সময় দিতে পারছিলাম না। আমি রাজনীতি থেকে অবসর নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলাম। এই রাজনীতিতে আমি বড় বেমানান । তাই নিজেকে মানিয়ে নিতে পারলাম না । দলের কর্মীদের ধন্যবাদ ।”

বিধানসভা ভোটের মুখে সরগরম রাজ্য-রাজনীতি। ভোটের মুখে বাংলায় দলবদলের ঘটনা নিত্যদিনই ঘটছে। শাসকদল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদানের হিড়িক পড়ে গিয়েছে। রাজ্যজুড়ে মূলত তৃণমূল কংগ্রেস থেকেই নেতা-কর্মীরা যোগ দিচ্ছেন বিজেপিতে।

অন্যদিকে, ভোটের মুখে অনেকে আবার শাসকদলেও নাম লেখাচ্ছেন। তবে দলবদলের রাজনীতিতে ঘাসফুল শিবিরকে অনেকটাই টেক্কা দিতে সফল গেরুয়া শিবির। ভোটের আগে শাসকের ঘর ভাঙিয়ে বাড়তি অক্সিজেন বিজেপি শিবিরে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।