জলপাইগুড়ি : দিনভর রাস্তা অবরোধের পর এবার প্রাথমিক শিক্ষা কাউন্সিল দফতরে তালা ঝোলালেন টেট উত্তীর্ণরা।

এস এম এস করে যাদের ডাকা হয়েছে তাঁদের সবার কাউন্সিলিং জলপাইগুড়িতেই করতে হবে এই দাবি তুলে বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে জলপাইগুড়ি জেলার প্রাথমিক শিক্ষা কাউন্সিল দফতরের সামনে থাকা শহরের প্রধান রাস্তা ডিবিসি রোড অবরোধ করে রাখেন টেট উত্তীর্ণরা।

সন্ধ্যা গড়াতেই ওই দফতরের প্রধান গেটে তালা ঝোলান তাঁরা। একই সঙ্গে প্রায় ৭ ঘন্টার বেশি ধরে চলছে টানা পথ অবরোধ। ঘটনায় হয়রানির শিকার শহরের বাসিন্দারা। ঘটনাস্থলে সকাল থেকে উপস্থিত জলপাইগুড়ি কোতোয়ালি থানার পুলিশ।

পুলিশের সামনেই অবরোধ চালিয়ে যাচ্ছেন তারা। কোলে ছোট বাচ্চাকে নিয়ে প্রচুর মহিলাকে আন্দোলন চালাতে দেখা গিয়েছে।

আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, জলপাইগুড়িতে প্রায় ৬০০ টেট উত্তীর্ণদের ডাকা হয়েছে। কিন্তু বৃহস্পতিবার বেলার দিকে কাউন্সিলিংএ ডাকা হয় মাত্র ২০০ জনের মতো প্রার্থীদের। বাকিদের ফের অন্য দিন ডাকা হবে বলে জানিয়ে দেওয়া হয়। আর এতেই আগুনে ঘি পড়ে। ৬০০ জনকে ডেকে কেন ২০০ জনকে কাউন্সিলিং করা হবে? সবাইকে একসঙ্গে কাউন্সিলিং করে স্কুলে জয়েন করাতে হবে এই দাবি তুলে শুরু হয় আন্দোলন।

ঘটনায় প্রাথমিক শিক্ষা কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ইন চার্জ মানবেন্দ্র ঘোষ বলেন, “আমাদের কাছে প্রাথমিক শিক্ষা দফতর থেকে যাদের তালিকা পাঠানো হয়েছে দুদিন ধরে আমরা তাঁদের কাউন্সিলিং করলাম। রাতেই তাদের নিয়োগপত্র দেওয়া হবে। বাকিদের কলকাতায় সেন্ট্রাল কাউন্সিলিং করা হবে বলে আমাদের কাছে বোর্ড থেকে নির্দেশ এসেছে। আমরা তাদের সেই নোটিশের বিষয়টি দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি।”

তিনি আরও বলেন, ” তাঁরা দাবি করেছেন অন্যান্যদের মতো তাঁদেরকেও জলপাইগুড়িতে কাউন্সিলিং করতে হবে। আমি তাদের দাবি উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে পাঠিয়ে দিয়েছি। এখন কি নির্দেশ আসে তা দেখার।” তবে রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে এরা এস এম এস পাবার পর এখানে এসেছে তাই এদের এখানে কাউন্সিলিং হলে ভালোই হয় বলে জানান তিনি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।