নয়াদিল্লি :কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গিয়েছে সাধারণ বাজেটের। হাতে আর মাত্র কটা দিন। নরেন্দ্র মোদী সরকারের জন্য এই বাজেট অবশ্যই খুব গুরুত্বপূর্ণ। যেহেতু করোনা পরিস্থিতি এবার বাজেট প্রস্তুতি অনেক জটিল করে দিয়েছে। যা পরিস্থিতি তাতে চার দশক বাদে ২০২০-২১ অর্থবর্ষে জিডিপি সংকোচন হচ্ছে।

এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনকে বাজেট পেশ করতে হচ্ছে। ১ ফেব্রুয়ারি এবারের কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ হওয়ার কথা। ইতিমধ্যেই পুরোপুরি নির্মলা সীতারামন এবং তার দল বাজেট প্রস্তুতি মনোনিবেশ করেছেন।

এজন্যই বিভিন্ন মহলের কাছ থেকে সুপারিশ এবং পরামর্শ নেওয়া হয়েছে। এবার দেখে নেওয়া যাক বাজেট প্রস্তুতির দলটিকে–

নির্মলা সীতারামন: তিনি এবার তাঁর তৃতীয় বাজেট পেশ করবেন। অবশ্যই এবার তাঁর কাছে এটা একটা বড় চ্যালেঞ্জ। ইতিমধ্যেই তিনি বলেছেন, এবারে এমন বাজেট হবে যা আগে কখনো হয়নি। নির্মলা সীতারামন জহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতি পড়েছেন। মোদীর আমলে তিনি আগে বাণিজ্য এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের দায়িত্ব সামলেছেন।

অজয় ভুষণ পান্ডে: তিনি হলেন অর্থ মন্ত্রকের মহাসচিবের মধ্যে সবচেয়ে সিনিয়র এবং অর্থ সচিব। রাজস্ব সচিব থেকে তিনি বর্তমানে এই পদে এসেছেন। তিনি মহারাষ্ট্র ক্যাডার থেকে ১৯৮৪ ব্যাচের আইএএস অফিসার। তিনি ইউনিক আইডেন্টিফিকেশন অথরিটি অফ ইন্ডিয়ার‌ সিইও ছিলেন।

টিভি সোমানাথন: অর্থনীতিতে পিএইচডি করা টি ভি সোমানাথন‌ হলেন ব্যয় সচিব। তিনি তামিলনাড়ু ক্যাডারের ১৯৮৭ ব্যাচের আইএএস অফিসার। তিনি, ২০১৫ সালের এপ্রিল থেকে ২০১৭ সালের অগস্ট মাস পর্যন্ত ছিলেন প্রাইম মিনিস্টার অফিসে। তিনি ব্যায় সচিব হওয়ার পর বহু দপ্তরের খরচে কোপ পড়েছে।

তরুণ বাজাজ: অর্থ বিষয়ক সচিব এবং তিনিও একসময় প্রাইম মিনিস্টার অফিসে কাজ করেছেন। পাঁচ বছর পিএমওতে থাকার পর ২০২০ সালের এপ্রিল মাসে তিনি নর্থ ব্লকে আসেন। তিনি ১৯৮৮ ব্যাচের হরিয়ানা ক্যাডারের আইএএস অফিসার।

তুহিনকান্ত পান্ডে: হলেন বিনিয়োগ এবং জন সম্পত্তি ম্যানেজমেন্ট দপ্তরের সচিব। পাঞ্জাব ক্যাডারদের ১৯৮৭ ব্যাচের আইএএস অফিসার। তাঁর দপ্তর কে ২০২০-২১ সালে জন্য লক্ষ্যমাত্রা রাখা হয়েছিল ২.১ লক্ষ্য কোটি টাকা তোলার।

কিন্তু দুনিয়াজুড়ে অর্থনৈতিক অবস্থা এমনই দাঁড়ায় যে লক্ষ্যমাত্রার একটা অংশ তিনি পেতে সক্ষম হয়েছেন। তবে আগামী বছর অবস্থাটা একটু ভালো হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

দেবাশিস পন্ডা: ১৯৮৭ ব্যাচের উত্তরপ্রদেশ ক্যাডারের আইএএস অফিসার। তিনি আর্থিক পরিষেবা দপ্তরের মাথায় রয়েছেন। তিনি রিজার্ভ ব্যাংকের সঙ্গে ঘনিষ্টভাবে কাজ করেন যাতে আর্থিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।