ফাইল ছবি

হুগলি: বিভ্রান্তিকর পোস্ট না করবার জন্য পুলিশ বার বার সতর্ক করছে৷ কিন্তু তারপরও করোনা আক্রান্ত চিকিৎসককে নিয়ে ফেসবুকে বিভ্রান্তিকর পোস্ট করে এক শিক্ষিকা৷ এরপরই ওই স্কুল শিক্ষিকাকে গ্রেফতার করে পুলিশ৷

ঘটনাটি ঘটেছে হুগলির কোন্নগরে৷ ধৃত শিক্ষিকাকে মঙ্গলবার শ্রীরামপুর আদালতে তোলা হলে, বিচারক ১৭ তারিখ পর্যন্ত জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন৷ করোনায় আক্রান্ত হুগলির কোন্নগরের বাসিন্দা হাওড়া জেলা হাসপাতালের এক চিকিৎসক৷ রবিবার তার আবাসনের বাসিন্দারা সেই খবর জানতে পারেন৷ এরপর কোন্নগর পুরসভার তরফ থেকে ওই আবাসনকে স্যানিটাইজডও করা হয়৷

কিন্তু কোন্নগরেরই এক বাসিন্দা তথা একটি বেসরকারি স্কুলের শিক্ষিকা ওই চিকিৎসককে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভ্রান্তিকর পোস্ট করেন৷ চিকিৎসকের নাম দিয়ে শিক্ষিকার দাবি করেন, ওই চিকিৎসক-ই কোন্নগরে করোনা ছড়াচ্ছেন৷ এজন্য উত্তরপাড়া থানার পুলিশ ও কোন্নগর পুরসভাকে ধন্যবাদও জানান তিনি৷

সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায় স্কুল শিক্ষিকার করা এই পোস্ট৷ এই ঘটনায় আতঙ্ক ছড়ায় এলাকায়৷ এরপরই অভিযুক্ত ওই স্কুল শিক্ষিকাকে গ্রেফতার করে পুলিশ৷ ধৃতের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ১৫৩/এ (১)(সি),৫০৫(২)(১)(এ)এবং ১৮৮ ধারায় মামলা রুজু হয়৷

মঙ্গলবার শ্রীরামপুর আদালতে তোলা হয় ধৃতকে৷ বিচারক ৩ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন অভিযুক্তকে৷ ১৭ তারিখ পর্যন্ত জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। বেসরকারি স্কুলের শিক্ষিকার দাবি, না বুঝে ভুল করে এই পোস্ট করেছেন তিনি৷

এরআগে সোশ্যাল মিডিয়ায় আপত্তিকর পোস্ট করায় রাজ্য পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছে ৯৬জন৷ রবিবার রাজ্য পুলিশ ট্যুইট করে জানিয়েছে,গত কয়েক সপ্তাহে ৯৬টি মামলায় ৯৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে৷ এছাড়া ২৩০ জনকে জাল,আপত্তিকর বা হানিকর পোস্ট করবার জন্য সতর্ক করা হয়েছে৷ পাশাপাশি সেখানে লিখেছেন,দয়া করে অযাচাইকৃত, জাল, আপত্তিজনক বা হানিকর সামগ্রী পোস্ট বা ফরোয়ার্ড করবেন না৷

অন্যদিকে লকডাউন উপেক্ষা করে বাইরে বেরিয়ে পুলিশের হাতে অনেকেই গ্রেফতার হচ্ছে৷ মঙ্গলবার দুপুর ১২ টা পর্যন্ত কলকাতায় গ্রেফতারের সংখ্যা ১৮১ জন৷ গাড়ি বাজেয়াপ্ত হয়েছে ৩৩ টি৷ সোমবার কলকাতায় গ্রেফতারের সংখ্যাটা ছিল ৬০৪ জন৷ গাড়ি বাজেয়াপ্ত হয়েছিল ১০০ টি৷ রবিবার গ্রেফতারের সংখ্যাটা ছিল ৬৩৮ জন৷ এবং গাড়ি বাজেয়াপ্ত হয়েছিল ১০৭টি৷

Proshno Onek II First Episode II Kolorob TV