কলকাতা: উত্তর দিনাজপুরের হেমতাবাদে বিজেপি বিধায়কের অস্বাভাবিক মৃত্যুতে রাজনৈতিক চাপানউতোর বাড়ছে। দলীয় বিধায়কের মৃত্যুতে এবার রাজ্যের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারকে কাঠগড়ায় তুললেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। পশ্চিমবঙ্গে আইনশৃঙ্খলার পরিবেশ অক্ষুন্ন রাখতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন সরকার পুরোপুরি ব্যর্থ বলে এদিন টুইটে কটাক্ষ করেছেন নাড্ডা।

দলীয় বিধায়কের অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনা প্রসঙ্গে সোমবারই টুইটে নিজের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। টুইটে তিনি লেখেন, ‘পশ্চিমবঙ্গের হেমতাবাদের বিজেপি বিধায়ক দেবেন্দ্র নাথ রায়ের সন্দেহজনক জঘন্যতম হত্যাকাণ্ড অত্যন্ত মর্মান্তিক ও শোচনীয়। এই ঘটনা গুন্ডারাজ এবং মমতা সরকারের আইন শৃঙ্খলা ব্যর্থতার কথা বলে।’

সোমবার সকালে বাড়ি থেকে এক কিলোমিটার দূরে একটি দোকানের বারান্দা থেকে উদ্ধার হয়েছে হেমতাবাদের বিজেপি বিধায়ক দেবেন্দ্রনাথ রায়ের মৃতদেহ। খুনের পর মৃতদেহ ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ পরিবারের।

সিপিএম ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন দেবেন্দ্রনাথ রায়। জানা গিয়েছে, রবিবার রাতে তাঁকে বাড়িতে ফোন করে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়। তারপর থেকে আর বাড়ি ফেরেননি ওই বিধায়ক। এমনটাই দাবি পরিবারের সদস্যদের।

সোমবার সকালে একটি বন্ধ দোকানের বারান্দা থেকে উদ্ধার হয় বিধায়কের ঝুলন্ত দেহ। এর আগেও তাঁকে দুষ্কৃতীরা টার্গেট করেছিল বলে দাবি পরিবারের এক সদস্যের। উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জের সুদর্শনপুরের বাসিন্দা তিনি।

রবিবার সন্ধেয় বিন্দোলের বালিয়ার আদি বাড়িতে ফিরেছিলেন। পরিবারের দাবি, রাত একটা নাগাদ বেশ কয়েকজন যুবক তাঁকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। তারপর রাতভর তাঁর আর কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি। শেষমেশ সোমবার সকালে ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।

বিজেপি বিধায়কের অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় উদ্বিগ্ন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ও। টুইটে এদিন রাজ্যপাল লেখেন, ‘উত্তর দিনাজপুরের হেমতাবাদের বিধায়কের মৃত্যু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়, তাঁকে খুনের অভিযোগ উঠেছে। সত্য জানতে এই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।’

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ