নয়াদিল্লি: রাজনৈতিক উত্থান-পতনের অন্য নাম যেন দাক্ষিনাত্যের রাজ্য কর্নাটক৷ আজই কর্নাটক মামলায় রায় ঘোষণা করতে চলেছে সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈয়ের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করবে।

আগামী দিনে কন্নডভূমের রাজনীতির চাকা কোন অভিমুখে ঘরবে? দেশের শীর্ষ আদালতের রায়েই তা স্পষ্ট হয়ে যাবে৷ প্রসঙ্গত, আগামীকাল, বৃহস্পতিবার বিধানসভায় আস্থাভোটের মুখোমুখি হতে চলেছে এইচডি কুমারস্বামী নেতৃত্বাধীন সরকার।

২০১৮ সালে বিজেপি বিরোধী জোটর সলতে পাকানোর শুরু কর্নাটক থেকেই৷ কিন্তু, দিন যত এগিয়েছে কংগ্রেস-জেডিএস জোটের ভগ্নদশা ততই প্রকট হয়েছে৷ দিন কয়েক আগেই কুমারস্বামী সরকারকে সংকটে ফেলে বিধানসভা থেকে ইস্তফা দিয়েছে কংগ্রেস এবং জেডি(এস)-এর ১৫ জন বিধায়ক। কিন্তু স্পিকার কেআর রমেশ কুমার তাঁদের ইস্তফাপত্র গ্রহণ করেননি। এর বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হন পদত্যাগী বিধায়করা। বিদ্রোহী বিধায়কদের আর্জি ছিল, তাঁদের ইস্তফা গ্রহণের জন্য কর্নাটক বিধানসভার স্পিকারকে নির্দেশ দিক সুপ্রিম কোর্ট৷

এদিন প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে বিদ্রোহী বিধায়ক, স্পিকার এবং কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী এইচডি কুমারস্বামীর তরফের আইনজীবীদের সওয়ালজবাব শেষ হয়। কর্নাটকের ১৫ বিদ্রোহী বিধায়কের তরফে এদিন সওয়াল করেন প্রবীণ আইনজীবী মুকুল রোহতোগি। সব পক্ষের বক্তব্য শোনার পরে এদিন সকাল সাড়ে ১০টায় মামলার রায় ঘোষণা করবে দেশের সর্বোচ্চ আদালত৷

জেডিএসের তরফে এই পরিস্থিতির জন্য বিজেপিকে দায়ী করা হচ্ছে৷ তবে অভিযোগ উড়িয়ে এখন জোট সরকারের অন্তর্কলহ তাড়িয়ে তাড়িয়ে উপভোগ করছেন সে রাজ্যের গেরুয়া শিবিরের কৌশলী প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিএস ইয়েদুরাপ্পা৷ তবে তাঁর পাখির চোখ মুখ্যমন্ত্রীত্বের কুর্শি৷ তাই পরিস্থিতি বুঝে মেপে এগোতে চাইছে কেন্দ্রের শাসক দল৷