কলকাতা : তিনি বলেছিলেন বিজেপি পশ্চিমবঙ্গে দুই সংখ্যা টপকাতে পারবে না। তৃণমূল আবার রাজ্যে ক্ষমতায় আসবে। সেই কথা ফলেছে। বিজেপিকে দুই সংখ্যায় বেঁধে রেখেছেন তিনি। তার পর তিনি বলেছেন, আর রাজনৈতিক কৌশলীর পেশায় আর থাকবেন না। তিনি তাঁর প্রথম কথা রেখেছেন। দ্বিতীয় কথাও রাখবেন। যিনি এই কথা দিয়েছেন তিনি অন্য কেউ নন, তৃণমূলের ভোট কুশলী স্বয়ং প্রশান্ত কিশোর (Prasant Kishor)। গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে তাঁকে এবার বড় পুরস্কার দিতে চলেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। শোনা যাচ্ছে প্রশান্ত কিশোরকে রাজ্যসভায়(Rajya sabha) পাঠাতে চলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূলকে রাজ্যে ক্ষমতায় আনার এর চাইতে বড় পুরস্কার আর কী হতে পারে।

বিধানসভা নির্বাচন (Assembly Election 2021) শেষ হয়েছে। এবার রাজ্যসভার শূন্য আসন নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে। এই মুহূর্তে এটি আসন শূন্য রয়েছে। আরও একটি আসন শূন্য হবে শীঘ্রই । আর এই দুটি আসনে তৃণমূলের তরফে প্রশান্ত কিশোর এবং প্রাক্তন বিজেপি নেতা ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী যশবন্ত সিনহাকে নিয়ে ভাবনা চিন্তা শুরু হয়েছে। তৃণমূল সূত্রে জানা গেছে এই দুজনের নাম নিয়ে তৃণমূলের অন্দরে আলোচনা শুরু হয়েছে।

এই খবরের সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের দিন প্রশান্ত কিশোরের রাজভবনে যাওয়া , মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে জয়ী বিধায়কদের তৃণমূল ভবনরের বৈঠকে প্রশান্ত কিশোর হাজির ছিলেন। রাজভবন ও তৃণমূল ভবন, এই দুই জায়গাতেই প্রশান্ত কিশোর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গাড়ির পিছনের আসনে বসেই গেছেন।

ফাঁকা দুটি রাজ্যসভার আসনের একটিতে প্রশান্ত কিশোরের নাম নিয়ে চর্চা এখন তুঙ্গে চলছে দলের অন্দরে। আর প্রশান্ত কিশোর আর ভোট কুশলীর কাজ করবেন না বলে তৃণমূলকে রাজনৈতিক বার্তা দিয়েছেন। যার ফলে রাজ্যসভায় প্রশান্ত কিশোরকে পাঠানোর বিষয়টাও আরো স্পষ্ট হয়ে গেছে। ঠিক এই সময়েই রাজ্যসভায় তৃণমূলের দুটি আসনে প্রতিনিধি পাঠানোর সময় এসে গেছে। প্রশান্ত কিশোরের রাজনৈতিক কাজের ইতিহাস রয়েছে। তিনি তরুণ বয়সে বিহারে নীতিশ কুমারের জেডিইউ-র শীর্ষ পদে ছিলেন। তাই বিজেপি বিরোধী প্রশান্তের সঙ্গে তৃণমূলের নীতিগত পার্থক্য সেই অর্থে নেই। এছাড়া তৃণমূলের তরুণ প্রতিনিধি নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Avishek Banerjee) সঙ্গেও প্রশান্ত কিশোরের সুসম্পর্ক সুবিদিত। তাই রাজনীতিতে অভিজ্ঞ, সুবক্তা প্রশান্তের তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ হওয়ার পথে কোনও বাধা থাকার কথা নয়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.