স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: কাজের জন্য ভিন রাজ্য থেকে প্রচুর শ্রমিক কলকাতায় আসেন। এরাজ্যেরও বিভিন্ন জেলা থেকে শ্রমিকরা শহরে আসেন। কিন্তু কলকাতায় এসে মাথা গোঁজার মতো জায়গা না পেয়ে অনেকেই ফুটপাতে আশ্রয় নেন। তাঁদের সেই দুর্দশা দূর করতে উদ্যোগী হল রাজ্যের আবাসন দফতর।

এবার রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কলকাতায় কাজ করতে আসা পরিযায়ী শ্রমিকদের (Migrant Workers) জন্য পৃথক আবাসন তৈরি করবে আবাসন দফতর। সেই উদ্দেশে ইতিমধ্যেই জমি খোঁজা শুরু হয়ে গিয়েছে। সদ্য দায়িত্বপ্রাপ্ত আবাসন মন্ত্রী জানিয়েছেন, রেল মন্ত্রক এবং বন্দর কর্তৃপক্ষের কাছেও জমি চেয়ে অনুরোধ করেছে রাজ্য সরকার।

আরও পড়ুন: ‘ভ্যাকসিন তৈরি করতে জমি দেবে রাজ্য’, মোদীকে চিঠি মমতার

আজ, বুধবার আবাসন দফতরের দায়িত্ব নিয়ে ফিরহাদ হাকিম জানান, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে শ্রমিকদের এনে তাঁদের থাকার জন্য ঠিকাদার সংস্থাগুলি ফুটপাথে ঝুপড়ি তৈরি করে। কিন্তু এবার আবাসন দফতর এই শ্রমিকদের  জন্য স্থায়ী শ্রমিক আবাসন তৈরি করতে চায়। এই আবাসনগুলি ঠিকাদারি সংস্থাগুলিকেই ভাড়া দেওয়া হবে। তাঁরাই নিজেদের অধীনে থাকা শ্রমিকদের ওই আবাসনগুলিতে রাখবে। কাজ শেষ হলে আবাসনগুলি মন্ত্রকের অধীনে তুলে দেবে। এক্ষেত্রে ভাড়া ঠিকাদারি সংস্থাকেই দিতে হবে। মন্ত্রী জানিয়েছেন, শ্রমিকদের আবাসন থেকে কাজের জায়গা পর্যন্ত নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থাও করবে ওই ঠিকাদারি সংস্থাই। মনে করা হচ্ছে, এতে যেমন ভিন জেলা ও রাজ্য থেকে আসা শ্রমিকদের থাকার সমস্যা মিটবে, তেমনই কলকাতা শহরে যত্রতত্র ঝুপড়ি বানিয়ে থাকার মতো ঘটনাকেও নিয়ন্ত্রণে আনা যাবে।

আবাসন মন্ত্রীর দায়িত্ব নিয়ে এদিন দফতরের শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন ফিরহাদ হাকিম। বৈঠকে আরও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে আবাসন দফতরের অধীনে থাকা বিভিন্ন এলআইজি কোয়ার্টারে যারা বর্তমানে ভাড়াটে হিসেবে বসবাস করছেন তাদের সংশ্লিষ্ট কোয়ার্টার কিনে নেওয়ার অনুরোধ জানানো হবে। কারণ, ভাড়া বাবদ যে অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা পড়ে রক্ষণাবেক্ষণের জন্য তার চেয়ে অনেক বেশি খরচ হয়। ফলে সরকারকে বড় অঙ্কের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হচ্ছে।

এদিকে, গত বছর লকডাউনের সময় ভিন রাজ্য থেকে মাইলে পর মাইল পথ পায়ে হেঁটে বাড়ির উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন লক্ষ লক্ষ পরিযায়ী শ্রমিক। কেউ মারা গিয়েছিলেন অতিরিক্ত হাঁটার ক্লান্তির কারণে। কেউ বা প্রাণ হারিয়েছিলেন ট্রেনের চাকার তলায়। কেউ বা অভুক্ত হওয়ার কারণে। এ বার সেই পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি চাইছে না রাজ্য। সেই কারণেই নতুন করে পরিযায়ী শ্রমিকদের তালিকা তৈরি করতে শুরু করল রাজ্য শ্রম দফতর।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.