স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: পিপিপি মডেলে(প্রাইভেট-পাবলিক-পার্টনারশিপ) এক্স-রে কেন্দ্র বন্ধ করে দিতে চলেছে রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর৷ খুব শীঘ্রই এব্যাপারে নির্দেশিকা জারি করা হবে বলে জানা গিয়েছে৷

সরকারি হাসপাতালে পিপিপি মডেলে চলা এক্স-রে কেন্দ্রগুলিতে রোগীদের কোনও টাকা দিতে হয় না। সেই টাকা মেটায় সরকার। বেশ কয়েক বছর ধরে অভিযোগ উঠছে, পিপিপি কেন্দ্রে রোগী বেশি হচ্ছে। পরিসংখ্যান বলছে, আরজি করে যেখানে সরকারি যন্ত্রে ২০-৩০টা এক্স রে হচ্ছে সেখানে পিপিপি কেন্দ্র ৩৫০-এর বেশি হচ্ছে৷

এসএসকেএম-এ সরকারি যন্ত্রে দেখা যাচ্ছে ১২০-১৩০টা হচ্ছে অন্যদিকে পিপিপি কেন্দ্রে ৩০০টির বেশি এক্স রে হচ্ছে৷ কলকাতা তথা গোটা দক্ষিণবঙ্গ তো বটেই উত্তরবঙ্গেও সেই একই ছবি৷

স্বাস্থ্য দফতরের বক্তব্য, এর ফলে সরকারের অনেক বাড়তি টাকা খরচ হচ্ছে। সেই কারণে স্বাস্থ্য দফতর সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, সরকারি হাসপাতালে শুধু সরকারি এক্স-রে চালু থাকবে। পিপিপি মডেলে আর কোনও এক্স-রে কেন্দ্র সরকারি হাসপাতালে চলবে না।

তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম থাকবে৷ স্বাস্থ্য অধিকর্তা অজয় চক্রবর্তী জানিয়েছেন, সরকারি পরিকাঠামোর অভাবে শুধুমাত্র ডায়ালিসিস, এমআরআই, সিটি স্ক্যানের মতো পরিষেবা পিপিপি মডেলে চলা কেন্দ্রগুলিতে দেওয়া হবে৷

কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, সরকারি হাসপাতালে এক্স রে-র মান নিয়ে৷ এখনও অনেক সরকারি হাসপাতালে আধা-ডিজিটাল বা ম্যানুয়ালে এক্স-রে হয়৷ পিপিপি কেন্দ্রগুলিতেই ডিজিটাল এক্স রে হয়। স্বাভাবিকভাবেই চিকিৎসক ও রোগীরা সেই রিপোর্টের উপর ভরসা করে। এক্ষেত্রে স্বাস্থ্য দফতরের কর্তারাও মানছেন যে শুধু সরকারি এক্স-রে পরিষেবা চালাতে হলে স্বাস্থ্য দফতরকে আগে সর্বত্র ডিজিটাল এক্স-রে যন্ত্র চালু করতে হবে।