কলকাতা: করোনাভাইরাস নিয়ে ভুয়ো খবর সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করলে প্রশাসন কড়া ব্যবস্থা নেবে আবেই জানিয়ে দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ এবার সে পথেই হাঁটল রাজ্য সরকার৷ বেলেঘাটা আইডি-র চিকিৎসক যোগীরাজ করোনা আক্রান্ত শুক্রবার একটি পোস্ট ভাইরাস হয়৷ এরপরই নড়চড়ে বসে প্রসাশন৷

কিন্তু কিছুক্ষণ আগেই স্বাস্থ্য দফতরের তরফে জানিয়ে এই খবর সম্পূর্ণ মিথ্যে৷ রাজ্যের কোনও চিকিৎসক বা কোনও স্বাস্থ্যকর্মীর করোনা আক্রান্ত হননি৷ সুতরাং স্বাস্থ্য দফতরের তরফে প্রশাসনকে এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়৷ যার প্রোফাইল থেকে এই পোস্ট হয়েছে, তাকে খুঁজে বের করতে সাইবার ক্রাইমকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে৷

বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালের চিকিৎসক যোগীরাজ৷ রোগীদের সেবা করতে করতে তিনিও নাকি করোনায় আক্রান্ত৷ সোশ্যাল মিডিয়ায় এই পোস্ট ভাইরাল হয়৷ নেটদুনিয়ায় এভাবেই নানা ভুয়ো খবর ছড়িয়ে অকারণে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হচ্ছে৷ তাই তাদের বিরুদ্ধে এফআইআর-এর পথে হাঁটল রাজ্য সরকার৷ স্বাস্থ্য দফতরের তরফে এদিন আরও জানানো হয়, এই ধরনের ভুয়ো খবরে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে মনোবল ভেঙে যাবে৷ তাই করোনা নিয়ে ভুয়ো তথ্য সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট করলে কড়া ব্যবস্থা নেবে সরকার৷

ফেসবুক হোয়াটসঅ্যাপ ও টুইটারের মতো সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মগুলিতেই বেশি ছড়াচ্ছে এধরনের গুজব৷ প্রধানমন্ত্রী ও প্রতি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা করোনা নিয়ে বিভ্রান্তিমুলক খবর বা গুজব না-ছড়ানোর জন্য দেশবাসীকে বারবার অনুরোধ করছেন৷ কিন্তু তা সত্ত্বেও এই ভুয়ো ছড়াচ্ছে৷

এর আগও করোনা নিয়ে অনেক বুজরুকি খবর সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখা গিয়েছে৷ অমুক উপায়ে করোনা থেকে মিলবে মুক্তি, তমুক ওষুধে সেরে উঠবে করোনা আক্রান্ত৷ ঘরবন্দি কিছু ব্যক্তি এর সত্যতা যাচাই না-করেই তা সোশ্যাাল মিডিয়ায় পোস্ট করে দিচ্ছে৷ যা ভাইরাল হচ্ছে৷ তাতে ছড়িয়ে পড়ছে বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে, বাড়ছে আতঙ্ক৷

বেলেঘাটা আইডির চিকিৎসকের করোনা আক্রান্ত হওয়ার খবরে রীতিমতো আতঙ্কিত হয়ে পড়েন রাজ্যবাসী। বিশেষ করে কলকাতার বাসিন্দারা। কারণ এই হাসপাতালেই চিকিৎসা হচ্ছে করোনায় আক্রান্ত আটজনের৷ তাই অনেকেই খবরটি বিশ্বাস করেছিলেন৷ তবে স্বাস্থ্য দপ্তর খবরটি ভুয়ো বলে জানানোয় আপাতত স্বস্তিতে শহরবাসী।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.