কলকাতা: প্রতি বছর ঘটা করে রাজ্যের শাসক দল শিল্পপতিদের নিয়ে বাংলায় শিল্প সম্মেলনের আয়োজন করে থাকে৷ এবার পিছিয়ে থাকতে চায় না বিরোধী দল বিজেপিও৷ ভোটের মুখে এবার শিল্প সম্মেলনের প্রস্ততি শুরু করেছে বিজেপি৷

শুক্রবার ইজেডসিসি-তে সাংবাদিক সম্মেলন করে বিজেপি জানিয়েছে, রাজ্যে শিল্প আনতে এবার শিল্পপতিদের নিয়ে সম্মেলনের আয়োজন করবে রাজ্য বিজেপি৷ ডিসেম্বর কিংবা জানুয়ারিতে নেওয়া হচ্ছে প্রস্তুতি৷ করোনা পরিস্থিতিতে প্রয়োজনে ভার্চুয়াল সম্মেলনের আয়োজন করা হতে পারে৷ শিল্প সম্মেলনে থাকবেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরাও৷

এদিকে বিজেপির উদ্যোগে বাংলায় শিল্প সম্মেলনের আয়োজনকে হাস্যকর বলে কটাক্ষ করেছেন তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়৷ তিনি সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘কেউ রাজ্য সরকারে না থাকলে শিল্প সম্মেলন করে কিছু করতে পারবে না। কোনও বিনিয়োগ রাজ্য সরকার ছাড়া হতে পারে না৷

মাস দুয়েক আগে রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় রাজ্য সরকারকে তুলোধনা করেছিলেন বেঙ্গল গ্লোবাল বিজনেস সামিট নিয়ে৷ রাজ্যকে খোঁচা দিয়ে টুইটে তিনি লিখেছিলেন, ‘শিল্প সম্মেলনের খরচ লগ্নির চেয়ে বেশি নয় তো!’

বেঙ্গল গ্লোবাল বিজনেস সামিটের আয়োজনের খরচ ও শিল্প সম্মেলনের মাধ্যমে কোন লগ্নি এসেছে, তার বিস্তারিত তথ্য জানতে চান রাজ্যপাল। জানতে চেয়েও রাজ্যের অর্থসচিবের কাছ থেকে জবাব পাননি বলে দাবি রাজ্যপালের।তারপর অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্রের কাছে বিস্তারিত তথ্য চেয়েছেন ধনখড়।গত কয়েকবছর ধরে শিল্প সম্মেলন করছে রাজ্য সরকার। এবার এই মেগা-সামিট আয়োজন সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য চেয়েছিলেন রাজ্যপাল।

বেঙ্গল গ্লোবাল বিজনেস সামিট বা বিশ্ববঙ্গ শিল্প সম্মেলনের আয়োজন নিয়ে রাজ্যের অর্থ সচিবের জবাব চেয়েছিলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। কিন্তু ধনখড়ের দাবি তাঁর প্রশ্নের উত্তর পাঠাননি অর্থসচিব। এবার অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্রকেই শিল্প সম্মেলন প্রসঙ্গে বিস্তারিতভাবে জানাতে বলেছিলেন রাজ্যপাল।

এপ্রসঙ্গে টুইটে জগদীপ ধনখড় লিখেছিলেন, ‘বেঙ্গল গ্লোবাল বিজনেস সামিট( শিল্প সম্মেলন) নিয়ে @MamataOfficial-এর অর্থ সচিবের জবাব পেলাম না। অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্রের কাছেই শিল্প সম্মেলনের বিস্তারিত জানতে চেয়েছি।’ শিল্প সম্মেলনে আসা লগ্নি ও সম্মেলনের খরচ নিয়ে অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্রকে বিস্তারিতভাবে জানাতে বলেছিলেন রাজ্যপাল। টুইটে তিনি লিখছিলেন, ‘আমার আশা, অর্থ এবং শিল্পমন্ত্রী তাঁর সাফল্য আনন্দ ও গর্বের সঙ্গে জানাবেন।’

এরই পাশাপাশি রাজ্য সরকারকে খোঁচা দিয়ে টুইটে ধনখড়ের প্রশ্ন, ‘শিল্প সম্মেলনের খরচ, রাজ্যে আসা লগ্নির চেয়ে বেশি হয়ে যায়নি তো? না হলে রাজ্যপালের কাছে গোপন করার কি আছে? তথ্য দিতে দেরি থেকেই বোঝা যাচ্ছে ধামাচাপা দেওয়ার কিছু আছে। কিছু জানতে চাওয়ার পর তা লুকোনো হলে বুজতে হবে বড় খবর রয়েছে।’

জেলবন্দি তথাকথিত অপরাধীদের আলোর জগতে ফিরিয়ে এনে নজির স্থাপন করেছেন। মুখোমুখি নৃত্যশিল্পী অলোকানন্দা রায়।